বাংলাদেশ টিচার্স এসোসিয়েশন ইউকে’র স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২১, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ

গত ৩১শে মার্চ ‘২১ বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যে সাড়ে ৬’টায় বাংলাদেশ টিচার্স এসোসিয়েশন (বিটিএ) বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এক ভার্চুয়্যাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি মোঃ আবু হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল বাসিত চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডক্টর কে এম আব্দুল মোমেন এম পি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী মোঃ আব্দুল মান্নান এম পি। জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরিবেশনায় ছিলেন মোস্তফা কামাল মিলন।

সভাপতি আবু হোসেন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়্যালি সংযুক্ত সবাইকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি নিজের ও বিটিএ-র পক্ষ থেকে রাজনীতির মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতীয় চার নেতাসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও প্রায় লক্ষ বীরাঙ্গনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং এই দীর্ঘ সংগ্রামে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথি ডঃ এ কে মোমেন তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি নাতিদীর্ঘ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের চার বিলিয়ন ডলারের এর বাজেট এখন তিনশ বিশ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। বিরাশি শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে ছিল, কিন্তু সেটা এখন কুড়ি শতাংশে নেমে এসেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সব কিছুই শুরু হয়েছে আমাদের ভাষা আন্দোলন থেকে। আমাদের গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে বঙ্গবন্ধুর আত্মার সম্পর্ক তাঁকে পৌঁছে দিয়েছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের একক নেতৃত্ব দানে। আজ গ্রামেগঞ্জে অজপাড়াগাঁয়ে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে গেছে।

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করায় গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, একশ্রেণীর মানুষ যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছিল, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে তারাই আবার বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অন্ধকার যুগে নিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

বিলেতে বসবাসকারী প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুলতান মোহাম্মদ শরীফ তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন যে, দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশ অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। বিটিএ-র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ও ডক্টর রোয়াব উদ্দীন বিষয়ভিত্তক আলোচনা করেন। বিটিএ-র সদস্যবৃন্দ ও তাদের পরিবারবর্গ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কমিউনিটির সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ ও শুভাকাঙ্খীর দীর্ঘসময়ের উপস্থিতিতে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা এলামনাই কার্যকরী সভাপতি দেওয়ান গউস সুলতান, মুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান, মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল করিম (আবু তাঈব), কাউন্সিলর ও স্পিকার আহবাব হোসেন, কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার এমবিই, কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির, কাউন্সিলর আয়েশা চৌধুরী, কাউন্সিলর আতিকুল হক, কাউন্সিলর ও ডেপুটি মেয়র জোসনা ইসলাম, আব্দুর রকিব সাধারণ সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই, আব্দুল মুনিম (সভাপতি, বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন), আলিমুজ্জামান (যুক্তরাজ্য বঙ্গবন্ধু পরিষদ), আব্দুর রাজ্জাক ( সাবেক জাসদ সভাপতি), শাহিন আজমল ( সাবেক ছাত্রনেতা), প্রশান্ত পুরকায়স্থ (সভাপতি হিন্দু পরিষদ) ও আর্লিন জেনসন।

শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মিসবাহ আহমেদ, অধ্যক্ষ আশিদ আলী, মনজুর রেজা চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শাহ ফারুক আহমেদ, জামাল আহমেদ, রেহানা খানম রাহমান, মমিনুল ইসলাম, সালেহ আহমেদ, জামাল আহমেদ, মঞ্জারিন রশিদ, রাজিয়া বেগম, এ কে এম ইয়াহিয়া, সৈয়দ আব্দুর রকিব, রাহেল চৌধুরি, আব্দুল হান্নান, শফি আহমেদ।

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

এই সম্পর্কিত আরও খবর...