সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
সিলেটের এমসি কলেজের হোস্টেলে গণধর্ষণের মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, অর্জুন ও রবিউল।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমুল্য কুমার চৌধুরী জানান, শুক্রবার বিকেল থেকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ এর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমানের আদালতে দীর্ঘ শোনানির পর প্রথমে অর্জুন ও সাইফুর রহমান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পরে ১ম আদালতে সময়ক্ষেপণ হওয়ায় আসামি রবিউল ইসলামকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ এর বিচারক সাইফুর রহমানের আদালতে হাজির করা হলে একইভাবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রবিউল ইসলাম।
স্বীকারোক্তির পর তাদের তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এর আগে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদেরকে সিএমএম আদালতে হাজির করে শাহপরাণ থানা পুলিশ। সোমবার তাদের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২ আদালত। এছাড়াও মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আরোও ৫ আসামি ৫ দিন করে রিমান্ডে রয়েছে।
এদিকে আগামীকাল ওই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাজন, আইনুল ও মমাবুর রহমান রনিকে রিমান্ড শেষে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ। ওই গৃহবধূকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় কর্মী ও অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করা হয়।
এর আগে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে গণধর্ণণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রুম থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি রামদা, দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।