আসাম থেকে সিলেট হয়ে ত্রিপুরায় গেলো জ্বালানী

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২২, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সঙ্গে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেডের (আইওসিএল) সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চুক্তির আওতায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আসাম থেকে জ্বালানিবাহী একটি চালান ত্রিপুরা রাজ্যে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশের সড়ক পথ ব্যবহার করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ রাখতে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল)’র ১০টি কন্টেইনারে এসব তেল ও তরলীকৃৃত গ্যাস (এলপিজি) ভারতের আসাম থেকে ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে পাঠায়। ভারতীয় জ্বালানিবাহী এই ১০ কন্টেইনারের মধ্যে ৭ টি কন্টেইনারে ৮৩ মে.টন জ্বালানি তেল ও ৩ টি কন্টেইনারে ২১ দশমিক ১৯ মে.টন তরলীকৃৃত গ্যাস (এলপিজি) রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি শুল্ক স্টেশন হতে পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ১০টি ট্যাংকার সুরক্ষিত অবস্থায় তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
তামাবিল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতীয় জ্বালানি পরিবহনকারী গাড়ি প্রবেশকালে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় অয়েল কর্পোরেশন লি.’র কান্ট্রি ম্যানেজার মাজহার আলম, সিলেটের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার’র উপ কমিশনার মোঃ আল আমিন, তামাবিল স্থলবন্দরের উপ পরিচালক মাহফুজুল ইসলাম ভূইয়া, রাজস্ব কর্মকর্তা সালেহ আহমদ, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক. এম. নজরুল ইসলাম, তামাবিল বিজিবি’র কোম্পানী কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. সুরুজ আলী, ভারতীয়দের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সে দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
এ বিষয়ে সিলেটের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট এর উপ কমিশনার মোঃ আল আমিন জানান, বাংলাদেশ-ভারত উভয়দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তির আওতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় এসব তেলবাহী ট্যাংকলরি তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই চুক্তি চলতি বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত বলবত থাকবে এবং প্রতিদিন ৮০টি করে তেলবাহী ট্যাংকলরী প্রবেশ করতে পারবে। সব ধরনের তল্লাশি শেষে এই গাড়িগুলো সিলেটের সড়কপথ দিয়ে মৌলভীবাজারের চাতলাপুর শুল্ক স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দেয়। ওই শুল্ক স্টেশন দিয়ে জ্বালানিবাহী ট্যাংক লরিগুলো ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কাইলা শহর যাবে। ত্রিপুরায় জ্বালানি তেল সরবরাহের পর খালি যানবাহনগুলো বাংলাদেশের চাতলাপুর চেকপোস্ট হয়ে একই পথে আবার ভারতে ফিরে যাবে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh