১ হাজার ৪০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সিসিকের

মারুফ হাসান, সিলেট অফিস

  • প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ

নতুন চমকবিহীন সিসিকের ২০২২-২৩ অর্থবছরের গতানুগতিক বাজেট গোষণা করা হয়েছে। বরাবরের মতোই সমপরিমাণ আয় ও ব্যয় ধরে বিশাল আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সিলেট সিটির নতুন বাজেট পেশ করেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তবে এবারের বাজেটে ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব রেকর্ড। কারণ এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০ কোটি ২০ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা। গেল ২০২১-২২ অর্থ বছরে যেখানে ৮৩৯ কোটি ২০ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার বাজেট ছিল। সেখানে এবার প্রায় ২ শ কোটি টাকা বেশী ধরা হয়েছে। অথচ এই সময়ে নগরীতে আরো ১৫টি নতুন ওয়ার্ড বেড়েছে। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিলো ৭৮৯ কোটি ৩৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। তখন বেড়েছিল মাত্র ৫০ হাজার টাকা।

সোমবার দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত কমিউনিটি সেন্টারে জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন সিটি মেয়র। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতা সফলতার ভার নাগরিকের উপর ছেড়ে দিলেও কিছু বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন মেয়র। এই বাজেটকে তার শেষ বাজেটও হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিগত বছরে কিছু বিষয়ে ব্যর্থতার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে সফলতার বিভিন্ন দিক তুলেন ধরেন মেয়র। এছাড়া বক্তৃতার শুরুতে মরহুম এম সাইফুর রহমান, মরহুম আবুল মাল আব্দুল মুহিত সহ বিগত সময়ে মৃত্যুবরণকারী সিলেটের গুনীজনকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি।

বাজেট ঘোষণাকালে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট নগরীর সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে অধিকতর সুযোগ সুবিধা ও সেবা প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবার সর্বমোট ১ হাজার ৪০ কোটি ২০ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা আয় ও সমপরিমাণ টাকা ব্যয় ধরে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালের আকস্মিক বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের লাখ লাখ মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। মহানগরবাসীও এই অসহনীয় কষ্ট ও দুর্দশা থেকে পরিত্রাণ পাননি। এই দুর্ভোগ মহানগরবাসীর কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছে। যা থেকে পরিত্রাণের পথ আমাদের জরুরি ভিত্তিতে খুঁজতে হবে। এক্ষেত্রে বাস্তবতাকে স্বীকার করেই আমাদেরকে সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। জলাবদ্ধতা ও বন্যাÑএই দুটো বিষয়কে এক করে দেখলে চলবে না। দুটো বিষয় আলাদা। এবার আকস্মিক বন্যার কারণে টানা কয়েকদিন মহানগরীর বেশ কয়েকটি এলাকার পানি নামতে পারেনি মূলত নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে।

মেয়র বলেন, মহানগরীর ড্রেন ও ছড়ার পানি নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়। কিন্তু সেই নদীও ড্রেজিং না হওয়াতে ভরাট হয়ে গেছে। বিপত্তি ঘটে তখনই যখন উজান থেকে ঢল এসে সুরমা নদীর পানি স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তখন খুব স্বাভাবিকভাবেই ছড়া ও খাল দিয়ে প্রবাহিত পানি সুরমা নদী হয়ে নামতে পারবে না। উল্টো সুরমা নদীর পানি মহানগরীর ছড়া দিয়ে ঢুকে অনেক এলাকা প্লাবিত করে ফেলে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ইন্সটিটিউট অব ওয়ারটার মডেলিং কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এই বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। এসব প্রস্তাবনার মধ্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নদী খনন করা, নিচু এলাকা যেমন উপশহরে পানির পাম্পিং স্টেশন করা, ছড়ার সংযোগস্থলে স্লুইচ গেইট তৈরী, ড্রেনের প্রশস্ততা আরও বৃদ্ধি করা।

বাজেট বক্তৃতায় মেয়র বলেন, জানিনা আর কোনোদিন মেয়র হিসেবে আপনাদের সামনে বাজেট ঘোষণার সৌভাগ্য আমার হবে কী না! দুই মেয়াদে মেয়র হিসেবে এই জীবনে যে সম্মান, যে ভালোবাসা সিলেটবাসীর কাছ থেকে পেয়েছি তা আমার জীবনের পাথেয় হয়ে থাকবে। যখনই যতোটুকু সুযোগ পেয়েছি, সিলেটের উন্নয়নে আমি মনপ্রাণ সঁপে দিয়ে আপসহীনভাবে কাজ করেছি। আমার সুসময়ে অনেককে পাশে পেয়েছি, কিন্তু আমার দু:সময়ে অনেকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়ে না পেলেও গণমাধ্যমে কর্মীরা সবসময়ই আমাকে আগলে রেখেছেন, সহযোগিতা করেছেন যা আমার জীবনের একটা বড় প্রাপ্তি।

সিলেটের উন্নয়ন করতে গিয়ে আমি আমার জীবনে অনেক চড়াই উৎরাই দেখেছি, অনেক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আমার বৃদ্ধা মা,স্ত্রী, সন্তানসহ পরিবারকে অবর্ণনীয় যন্ত্রণা সইতে হয়েছে। যড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যার পাহাড় দেখে আমি হতবাক হয়েছি, মুষড়ে পড়েছি, কিন্তু ভেঙে পড়িনি, ধৈর্য্য হারাইনি।
তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে পানি সরবরাহ কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তনের জন্য আমরা বারবার তাগিদ দিচ্ছিলাম। ২০১৪ সাল থেকে আমরা একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্পের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। সারি নদীতে ৫ কোটি লিটার ক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় ৮ শ ৮ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য বড়শালায় ১৩ একর জায়গা অধিগ্রহণসহ প্ল্যান্ট নির্মাণের ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল। গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রকল্পের জন্য ডিও লেটার দেন। কিন্তু প্রক্রিয়া গ্রহণের প্রায় ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো এই প্রকল্পের কোন অগ্রগতি হয়নি। ২৭ টি ওয়ার্ডের চাহিদার বিপরীতে এই প্রকল্প চাওয়া হয়েছিল অথচ এখন ওয়ার্ড বেড়ে ৪২ টি হয়েছে। কিন্তু পানির উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি।

মেয়র বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব এখন সিলেট মহানগর এলাকায়ও পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে দিনে প্রচন্ড তাপদাহ, আবার রাতে কিংবা দিনে স্বল্পসময়ে একটানা অস্বাভাবিক বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ সহ্য করতে হয়েছে নগরবাসীকে। এমনকি এবারের মৌসুমে সিলেট নগরীতে একরাতে স্বল্পসময়ে অর্থাৎ সবচেয়ে কম সময়ে বেশী পরিমাণ বৃষ্টিপাতের রেকর্ডও আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। স্বল্পসময়ে অতিবৃষ্টি ছাড়াও চা বাগানের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান ছড়া ও খালের রুগ্ন দশাও আমাদের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ২০১৪ সাল থেকে এসব চা বাগানের ছড়া ও খাল খননের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ জানালেও আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। সিলেটবাসীর স্বার্থে এসব বাস্তবায়ন জরুরী। এই সমস্যা সমাধানে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্ব দেয়া উচিত। যাতে সরকার এই বিষয়ে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে।

বাজেট বিবরণীতে মেয়র বলেন, এবারের বাজেটে উল্লেখযোগ্য আয়ের খাত গুলো হল হোল্ডিং ট্যাক্স ৪৫ কোটি ২ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপর কর ১৬ কোটি টাকা, ইমারত নির্মাণ ও পুনঃ নির্মাণের উপর কর ২ দুই কোটি টাকা, পেশা ব্যবসার উপর কর ৮ কোটি ৫০ পঞ্চাশ লক্ষ টাকা, বিজ্ঞাপনের উপর কর ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, বিভিন্ন মার্কেটের দোকান গ্রহীতার নাম পরিবর্তনের ফি ও নবায়ন ফিস বাবদ ৮০ লক্ষ টাকা, ঠিকাদারি তালিকাভুক্তি ও নবায়ন ফি বাবদ ৩০ লক্ষ টাকা, ল্যাব টেস্ট ফিস বাবদ ৬০ লক্ষ টাকা।

বাজেটে বাস টার্মিনাল ইজারা বাবদ আয় ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা, ট্রাক টার্মিনাল ইজারা বাবদ আয় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, খেয়াঘাট ইজারা বাবদ ১৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি ও দোকান ভাড়া বাবদ ৪ কোটি ৫০ হাজার টাকা, রোড রোলার ভাড়া বাবদ আয় ৫০ লক্ষ টাকা, রাস্তা কাটার ক্ষতিপূরণ বাবদ আয় ৩০ লক্ষ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে আয় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা, দক্ষিণ সুরমা শেখ হাসিনা শিশু পার্কের টিকিট বিক্রয় থেকে আয় ৮০ লক্ষ টাকা, পানির সংযোগ লাইনের মাসিক চার্জ বাবদ ৬ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, পানির লাইনের সংযোগ ও পুনঃসংযোগ ফিস বাবদ ১ কোটি টাকা, নলকূপ স্থাপনের অনুমোদন ও নবায়ন ফি বাবদ ২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এছাড়া নির্মাণ ও সংস্কার, ঢাকায় সিটি করপোরেশনের নিজস্ব লিয়াজো অফিসের জন্য ফ্ল্যাট ক্রয়, কসাই খানা নির্মাণ/ময়লা আবর্জনা ফেলার জায়গা উন্নয়ন, সিটি করপোরেশনের যানবাহন রক্ষায় গ্যারেজ নির্মাণ, সিটি করপোরেশনের যানবাহন। রক্ষণাবেক্ষণে ওয়ার্কশপ নির্মাণ, হাট বাজার উন্নয়ন, বাস টার্মিনাল সংস্কার ও উন্নয়ন, সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় পাঠাগার নির্মাণ, নাগরিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন, গভীর নলকূপ স্থাপন, এমজিএসপি প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নিজস্ব অর্থ ব্যয়, সিটি করপোরেশনের জন্য জীপ গাড়ী ও ২টি আধুনিক এ্যাম্বুলেন্স ক্রয় এবং নারীদের উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণ ব্যয়সহ ইত্যাদি ব্যয় উল্লেখযোগ্য।

বাজেটে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা থেকে বরাদ্দ খাতে ব্যয় ৫ কোটি টাকা, কোভিড-১৯ মোকাবেলা, ডেঙ্গু মোকাবেলা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও প্রচার উপ-খাতসহ সরকারি বিশেষ মঞ্জুরি খাতে ব্যয় ৪৬ কোটি টাকা, সিলেট মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প খাতে ৪৮০ কোটি টাকা, সিলেট মহানগরীর নাগরিক সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের জন্য আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সরবরাহ শীর্ষক প্রকল্প খাতে ২০ কোটি টাকা, নগর ভবনের উধ্বমূখী সম্প্রসারণ প্রকল্প খাতে ২০ কোটি টাকা, দক্ষিণ সুরমা এলাকায় শেখ হাসিনা শিশু পার্কে অবকাঠামো উন্নয়ন ও রাইড স্থাপন খাতে ২ কোটি টাকা, সিলেট মহানগরীর যানজট নিরসন ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প।

বাজেটে ৫ কোটি টাকা, বিভিন্ন ছড়া খনন ও প্রতিবন্ধকতা অপসারণ প্রকল্প খাতে ১০ কোটি টাকা, সিটি করপোরেশন এসফল্ট প্লান্ট স্থাপন ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে জমি অধিগ্রহণ খাতে ২০ কোটি টাকা, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ফিলিং ষ্টেশন স্থাপন খাতে ৫ কোটি টাকা, সিটি করপোরেশনের প্লাস্টিক রিসাইক্লিং প্লান্ট স্থাপন খাতে ৫ কোটি টাকা, কুমারপাড়ায়। সিটি করপোরেশনের নগর মাতৃসদন ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন খাতে ৫ কোটি টাকা, তোপখানাস্থ সিলেট সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ভূমিতে আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার ও স্টাফ কোয়াটার নির্মাণ প্রকল্প খাতে ৫ কোটি টাকা , উৎপাদন নলকূপ স্থাপন খাতে ৫ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশনের মীরের ময়দান এলাকায় স্টাফ কোয়াটার নির্মাণ খাতে ১ কোটি টাকা, সিলেট মহানগরীতে যানজট নিরসনে ৪টি পার্কিং ব্যবস্থা নির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা।

এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪টি গরুর হাট নির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪টি জবাইখানা নির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪টি খেলার মাঠ নির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন খাতে ৫ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরগণের স্থায়ী অফিস নির্মাণ খাতে ১০ কোটি টাকা, সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার মসজিদ, মন্দির, গির্জা, মাজার, কবরস্থান, শশ্মানঘাট, ঈদগাহ উন্নয়নে ১০ কোটি টাকা, ইউনিসেফের অর্থায়নে সিলেট সিটি করপোরেশন।

বাজেটে সুবিধা বঞ্চিত মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা এবং টিকাদান কর্মসূচি খাতে ২ কোটি টাকা, সিলেট মহানগরীতে সুয়ারেজ মাস্টার প্লান এর ফিজিবিলিটি স্টাডি করন প্রকল্প ৫ কোটি টাকা, ৫০ এমএলডি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের জন্য। ১৩.১৩ একর জমি অধিগ্রহণ ৫ কোটি টাকা, আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প খাতে ৫০ লক্ষ টাকা, নগরীর বস্তি সমূহের উন্নয়ন প্রকল্প খাতে ২ কোটি টাকা এবং সিটি করপোরেশনের নিজস্ব উন্নয়ন প্রকল্প খাতে মার্কেট নির্মাণ বাবদ প্রাপ্ত সালামী ও সিটি করপোরেশন আবাসিক প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় গ্রহণ বাবদ মোট ৩৭ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...