দাম কমলো এলপিজি সিলিন্ডারের

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২২, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমেছে। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার বিকেলে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সচিব ও সদস্যরা। রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হয়েছে।
গত মাসে ছিল ১ হাজার ২৩৫ টাকা। সেই হিসেবে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে দাম কমেছে ৩৫ টাকা। তবে সরকারি পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য পরিবর্তন হয়নি, তাই সেটি আগের মতো ৫৯১ টাকাই রয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে কমিয়ে ৫৫ টাকা ৯২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
জ্বালানি খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা দাম ১০১ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সে অনুযায়ী ৫.৫ কেজি, ১২ কেজি, সাড়ে ১২ কেজি, ১৫, ১৬, ১৮ কেজি, ২০, ২৫, ৩০, ৩৫ কেজি এবং ৪৫ কেজি ওজনের সিলিন্ডারগুলোর দাম ঠিক করা হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে সৌদি আরামকো কোম্পানির প্রপেন ও বিউটেনের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।
গত বছর ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। তারপর থেকে প্রতি মাসে একবার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।
সেপ্টেম্বরে রপ্তানি কমেছে ৬.২৫ শতাংশ/৪
জালালাবাদ ডেস্ক : ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও গ্যাস সংকটে রপ্তানি আয়ে খারাপ সময় পার করছেন উদ্যোক্তারা। সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্ন দেশে ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ ডলার (৩ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার) পণ্য রপ্তানি করেছেন উদ্যোক্তারা।
এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৪ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল সরকারের।
রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
উদ্যোক্তারা বলছেন, রপ্তানি আয় কমবে, এটা আগে থেকে অনুমেয় ছিল। সামনের মাসেও রপ্তানি কমার এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা অ্যাপারেলসের স্বত্বাধিকারী ও বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, সাভার ও গাজীপুরের শিল্প এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে উৎপাদনে।
অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। তারা পোশাক কেনা কমিয়ে দিয়েছে। সে কারণেই রপ্তানি আয় কমছে। সহসাই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে না বলে জানান এই ব্যবসায়ী।
ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর পোশাক রপ্তানিতে ১৩ দশমিক ৩৮ শতাংশের বেশি, পাট ও পাটজাত দ্রব্যে ১৫ দশমিক ৭১ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্যে ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ ও চামড়াজাত পণ্যে ২০ দশমিক ৮৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
অন্যদিকে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কম আয় হয়েছে একাধিক পণ্যে। কৃষিপণ্যে ১৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ, কেমিক্যাল পণ্যে ২৩ দশমিক ২৮ শতাংশ ও কাচঁজাত পণ্যে ৫২ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম আয় হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...