সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

গ্রিড বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও এর আশপাশের এলাকার সৃষ্ট ব্ল্যাক আউটের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে পিজিসিবির দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের আবেদন করেছে তদন্ত কমিটি। রবিবার (১৬ অক্টোবর) মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় বাকিদের এক সপ্তাহের মধ্যে চিহ্নিত করা হবে।
এর আগে শনিবার (১৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের পেছনে ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতাই দায়ী। আর সুনির্দিষ্টভাবে দায়ীদের চাকরিচ্যুত করা হবে।
পিজিসিবির তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। একইসঙ্গে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বিতরণ কোম্পানির দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পিজিসিবির দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন সহকারী প্রকৌশলী এবং অপরজন উপসহকারী প্রকৌশলী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ও জাতীয় লোড ডেসপাস সেন্টারের (এনএলডিসি) সমন্বয়ের অভাবে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় ঘটেছে।
গত ৪ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্ল্যাক আউটের ঘটনা ঘটে। দুপুর ২টা ৪ মিনিটে বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে শুরুতে অনেকেই ভেবেছিলেন সাধারণ লোডশেডিং। কিন্তু সময় গড়ানোর পর জানা যায়, বড় রকমের ব্ল্যাকআউটের মুখে পড়েছে বাংলাদেশের অর্ধেক অঞ্চল।
টানা ৬-৭ ঘণ্টা অন্ধকারে ছিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও এর আশপাশের এলাকার কয়েক কোটি মানুষ। এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার ব্ল্যাকআউট হয়।