‘আমাদের মানবাধিকার নিয়ে যারা চিৎকার করে তাদের লজ্জা থাকা উচিত’

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২২, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

আমাদের দেশের মানবাধিকার নিয়ে যারা চিৎকার-চেঁচামেচি করে তাদের লজ্জা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি অনেক ভালো বলেও দাবি করেন তিনি।

সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে নগরীর কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত তিন বছরে আমেরিকায় পুলিশ কর্তৃক তিন হাজার ৭৬ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন এবং ১৫ লাখের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। একই সময়ে বাংলাদেশে নিহত হয়েছেন মাত্র তিনজন আর নিখোঁজ হয়েছে হাতেগোনা কয়েকজন। নিজেরা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেও আমাদের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ বাক্য করা উচিত নয়।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকারের তুলনায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন দশগুণ বেশি রয়েছে। রিজার্ভ নিয়ে বিএনপি অযথাই অপপ্রচার চালাচ্ছে। গত চৌদ্দ বছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমা অর্ধেকে নেমে এসেছে, এটি বিশ্বের মধ্যে রেকর্ড।’

এ সময় রিজার্ভ ও রফতানি আয় নিয়েও কথা বলেন সিলেট সদর আসনের এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমলে রফতানি ছিল মাত্র ছয় বিলিয়ন ডলার আর বর্তমান সরকারের আমলে রফতানি উন্নীত হয়েছে ৬০ বিলিয়ন ডলারে, যা তাদের তুলনায় ছয়গুণ বেশি।’

এর আগে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড, এ কে আবদুল মোমেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও শফিউল আলম নাদেল, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মুশফিক আহমদ চৌধুরী ও আজিজুস সামাদ ডন, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার ও হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh