ডাচ-বাংলার টাকা ছিনতাই : ৩ কোটি ৮৯ লাখ উদ্ধার

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৩, ৭:৪২ অপরাহ্ণ


রাজধানীর উত্তরায় ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের সোয়া ১১ কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় টাকাসহ তিনটি ট্রাংক উদ্ধারের কথা জানিয়েছিলো ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ। বৃহস্পতিবার ছিনতাইয়ের পর প্রায় ১০ঘণ্টার মধ্যে টাকার তিনটি বাক্স উদ্ধারসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত গাড়ির চালককে আটক করা হয়। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতজনকে আটক করে পুলিশ।

টাকা উদ্ধারের পর ডিবি জানিয়েছিলো, ৩টি ট্রাংকে প্রায় ৯ কোটি টাকা থাকতে পারে। তবে পরে টাকা গণনার পর তুরাগ থানা পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া টাকার প্রকৃত সংখ্যা ৩ কোটি ৮৯ লাখ।

শুক্রবার থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে মানি প্ল্যান্ট লিংক প্রাইভেট লিমিটেডের পাঁচ থেকে সাতজনের সামনে উদ্ধার হওয়া তিনটি ট্রাংক খোলা হয়। এরপর ট্রাংকগুলোর টাকা গুনে ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এত মোটা অংকের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর আমাদের ডিবি পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে কাজ শুরু করে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল টাকাসহ ছিনতাইকারীদের ধরা। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছিনতাই হওয়া ৪টি ট্রাংকের মধ্যে ৩টি উদ্ধার করা হয়। ট্রাংক ৩টি উদ্ধারের পরপরই ডিএমপির উত্তরা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করি।

তিনি বলেন, আমরা যখন গাড়িসহ টাকা উদ্ধার করেছি, তখন ট্রাংকগুলো লক ছিল। সাংবাদিকদেরও লক অবস্থায় দেখানো হয়েছে। ট্রাংকের চাবি ছিল সিকিউরিটি কোম্পানির কাছে। ট্রাংকগুলো তুরাগ থানায় নিয়ে থানা পুলিশ ও সিকিউরিটি কোম্পানির মালিকদের কাছ থেকে চাবি নিয়ে টাকা গোনা হয়। আমরা ট্রাংক উদ্ধার করেছি, কিন্তু টাকা গুনিনি। বৃহস্পতিবার আনুমানিক সংখ্যা বলা হয়েছিল ৯ কোটি টাকা থাকতে পারে। তাই টাকার সঠিক পরিমাণ উত্তরা বিভাগের পুলিশ বলতে পারবে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর উত্তরা থেকে বেসরকারি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের টাকা বহনকারী গাড়ি থেকে প্রায় সোয়া ১১কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। দিনে-দুপুরে নজিরবিহীন এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় তাৎক্ষণিক মাঠপর্যায়ে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে উত্তরা এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া সোয়া ১১ কোটি টাকার মধ্যে বেশিরভাগ টাকা উদ্ধারের কথা জানায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

উদ্ধার অভিযান শেষে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) হারুন-অর-রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসসহ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে টাকা পরিবহনে নিয়োজিত মানি প্ল্যান্ট লিংক সিকিউরিটিজ কোম্পানি লিমিটেডের দুজন পরিচালক রয়েছেন। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh