সব
সিলেট অফিস,
পোশাকের কাপড়, রঙ ও ডিজাইন সব পছন্দসই। কিন্তু শেষমেষ দেখা গেল মাপ তো জুতসই হচ্ছে না। হয় বড় নয়তো গায়ে চাপানো যাচ্ছে না, একেবারে আঁটসাঁট। অনেকেই তৈরি পোশাক কেনার এসব বিড়ম্বনা এড়িয়ে চলতে চান। তাই সঠিক মাপে পছন্দের পোশাক বানাতে অনেকেই এখন ছুটছেন দর্জিপাড়ার সুঁই-সুতোর শিল্পীদের কাছে।
ঈদের বাজারে সেলাই মেশিনের একটানা শব্দের মাঝে আনন্দঘন ব্যস্ততায় আছেন মৌলভীবাজারের দর্জিপাড়ার সুঁই-সুতোর শিল্পীরা।
নতুন কাপড়ে রঙিন চক দিয়ে লাগানো দাগ দেখে দেখে শিল্পীরা চালাচ্ছেন কাঁচি। কখনো সোজাসুজি কখনো আঁকাবাঁকা। সুঁই-সুতোর সেলাইয়ে সযত্নে আনছেন তারা পোশাকের আকার।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) শহরের বিভিন্ন নামিদামি টেইলাইরিং শপ, পাড়া-মহল্লায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠা ছোট ছোট দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
জানা গেছে, এখন তৈরি পোশাকের ব্যবহার অনেকটা কমে গেছে। তারপরও সেলাই মেশিনের চাকা থেমে থাকেনি। অনেকেই নিজের রুচি ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধের জন্য দর্জির মাধ্যমে পছন্দমতো পোশাকটি তৈরি করিয়ে নেন। তাই ঈদ সামনে রেখে শুরু হয়েছে সব বয়সের মানুষের পোশাক তৈরির শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ অর্ডার ছাড়া নতুন করে এখন আর অর্ডার নেওয়া হচ্ছে না। যেগুলো আগে এসেছিল সেগুলো