২২ বছর আগের হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২৩, ৫:৪১ অপরাহ্ণ


বাগানের কাজকর্ম নিয়ে ঝগড়ার জেরে ২২ বছর আগে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানা এলাকায় মালি আবুল হোসেনকে হত্যার ঘটনায় নার্সারি মালিক ও আরেক মালিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক এম আলী আহমেদ আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন- নার্সারী মালিক মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে লিটন এবং মালি আনোয়ার হোসেন ওরফে আনারুল। তারা দুজনেই পলাতক। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

দণ্ডিত মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আর আনোয়ারে বাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুরে। আর হত্যার শিকার মালি আবুল হোসেনের বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারায়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, কুর্মিটোলায় জমি লিজ নিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে ওই নার্সারি চালু করেন আবুল হোসেন। নার্সারির কর্মচারীদের নিয়োগ, বেতনসহ সব কিছু দেখাশোনা করতেন মুস্তাফিজ। আবুল হোসেন ছিলেন প্রধান মালি। ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সকালে মুস্তাফিজ নার্সারিতে গিয়ে দেখেন আবুল নার্সারিতে নেই। অন্য মালিদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায়, এক আত্মীয়কে দেখতে আবুল হাসপাতালে গেছেন। এর দুই দিন পর ৭ সেপ্টেম্বর সকালে আবুল হোসেনের মৃতদেহ পাওয়া যায় স্থানীয় একটি ম্যানহোলের মধ্যে। ওই ঘটনায় নার্সারি পরিচালনায় যুক্ত আবু তাহের ৭ সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে নার্সারির দুই মালিকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জবানবন্দির বরাতে অভিযোগপত্রে বলা হয়, তারা আবুল হোসেনকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর ম্যানহোলের মধ্যে লাশ ফেলে দেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ১১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০০৩ সালের ২৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। পরে জামিনে বেরিয়ে পালিয়ে যান দুই আসামি। রাষ্ট্রপক্ষে ১৯ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য শুনে বিচারক রোববার দুই আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেন।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh