সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, গত অর্থ বছরে সারে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তূকি দেওয়া হয়েছে। এ ভর্তূকি দেওয়া নিয়ে নানান প্রশ্ন রয়েছে। এজন্য সারে দেওয়া ভর্তূকি নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যার মাধ্যমে বছরে ৩ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব। পর্যায়ক্রমে আরো বেশি সাশ্রয় করা যাবে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিবের অফিস কক্ষে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের (বিএজেএফ) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি অনূবিভাগ) ড. মো. মাহমুদুর রহমান, বিএজেএফ সভাপতি ও প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি গোলাম ইফতেখার মাহমুদ, বিএজেএফ সাধারণ সম্পাদক ও কালের কণ্ঠের জেষ্ঠ প্রতিবেদক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন, সংগাঠনিক সম্পাদক ও ডিবিসি নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু খালিদ সহ নির্বাহী কমিটির অনান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে কৃষি উপকরন সরবরাহ, কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষা ও কৃষি পন্যের উৎপাদন বাড়ানো ও কৃষিতে টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কৃষি সচিব বলেন, এই মূর্হর্তে দেশে সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। মজুদ দিয়ে আগামী জানুয়ারী পর্যন্ত কোন সংকট হবে না। আরো পর্যাপ্ত সার দেশে আসতে শুরু করেছে। ফলে বোরো মৌসুমে দেশে সারের সংকট হবে না বলে আশা করছি। সারের মজুদ দিয়ে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত চাহিদা মেটানো যাবে। সারে ভর্তুকি নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এই ভর্তুকি থেকে অন্তত আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব।
আগামী দুই বছরের মধ্যে সারের সংকট থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, সার পরিবহন ও মজুদের ব্যাপারে বড় একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার ফলে আগামী ২ বছর পর সার সংকট থাকবে না।
আগামী সাত দিনের মধ্যে আলুর দাম কমে আসতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আলু মৌসুমে আলু রোপনে যে সারের প্রয়োজন তা নিয়ে কৃষকের কোন চিন্তার কারণ নেই। একইসঙ্গে আলুর বীজের দাম ও সারের যোগান বিষয়ে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মিটিং করে করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিএজেএফ সভাপতি গোলাম ইফতেখার মাহমুদ সম্প্রতি প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মনোনীত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান কৃষি সচিব।