সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং অতিরিক্ত আর্থিক সংশ্লেষ এড়িয়ে আশু বাস্তবায়নযোগ্য কিছু নির্বাচনী সংস্কার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব চাওয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী আমরা তিনটি ক্যাটাগরিতে সুপারিশগুলো বিবেচনা করে চূড়ান্ত করেছি। এখন তা সরকারে পাঠানো হবে।”
তিনি ব্যাখ্যা করেন, “যেসব সুপারিশ রাজনৈতিকভাবে অপ্রত্যাশিত নয় এবং দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব, সেগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেসব বিষয় রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া সম্ভব নয়, সেখানে আমরা কোনো মন্তব্য করিনি। আর যেগুলো আগেও প্রস্তাব করা হয়েছিল, সেগুলো পুনরায় উল্লেখ করেছি।”
নির্বাচন কমিশনের সচিব মো. আখতার আহমেদ জানান, প্রস্তাবগুলোর সংখ্যা ১০ থেকে ১২টি হতে পারে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “যেমন ব্যালট পেপারে জলছাপ সংযোজনের প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের বিষয় থাকায় একে তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নযোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়নি।”
ইসির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়, যেসব সংস্কার নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে এবং আইন বা বিধি সংশোধন ছাড়া করা যায়, সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে কমিশন। আর যেসব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য প্রয়োজন, সেখানে ইসি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখবে।