সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
গোলাপগঞ্জ স্যোশাল এন্ড কালচারাল ট্রাস্ট ইউকে’র পক্ষ থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাসিব মামুনকে এক বিশেষ সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (২১ এপ্রিল) পূর্ব লন্ডনের লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের সভাপতি মোহাম্মদ দিলওয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ জোয়ারদার। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদান রাখায় গোলাপগঞ্জের এই কৃতিসন্তানকে ‘গোলাপগঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।
সম্মাননা ক্রেস্টটি আব্দুল হাসিব মামুনের হাতে তুলে দেন লন্ডন বারা অফ টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পিকার ব্যারিস্টার সাইফ উদ্দিন খালেদ, নিউহাম কাউন্সিলের চেয়ার রহিমা রহমান, হারো কাউন্সিলের মেয়র সেলিম চৌধুরী, বার্কিং ডেগেনহাম কাউন্সিলের মেয়র মঈন কাদরি এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর কামরুল হাসান মুন্না, কাউন্সিলর ফারুক মাহফুজ, শিক্ষাবিদ আব্দুর রকিব, সাংবাদিক আব্দুল মতিন, লেখক ও গবেষক ফারুক আহমেদ, সাংবাদিক ও সংগঠক মোঃ আব্দুল মুনিম জাহেদী ক্যারল, সানরাইজ রেডিওর পরিচালক মিসবাহ জামাল, গোলাপগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের সেক্রেটারি আব্দুল বাছির, গোলাপগঞ্জ হ্যাল্পিং হ্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাহেদ আহমেদ সাদ, সংগঠনের উপদেষ্টা ফারুক আলী, সেলিম আহমেদ খান, দেওয়ান নজরুল ইসলাম, সেলিম উদ্দিন চাকলাদার, আব্দুল বারী নাছির, আমিনুল হক জিলু, শাফি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, ইকবাল আহমদ চৌধুরী, আবুল ওয়াদুদ, হুমায়ূন কবির চৌধুরী একলিম, ফখরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল হুদা খান, কোষাধ্যক্ষ কাওসার আহমেদ জগলু, সহ-কোষাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান চাকলাদার, মেম্বারশিপ সেক্রেটারি কামাল উদ্দিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান আলম চৌধুরী, ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদিকা নাজমিন আক্তার, ইসি সদস্য তমিজুর রহমান রঞ্জু, আব্দুল আহাদ কয়েছ, মকছুছ আহমেদ জোয়ারদার, মিছবাহ মাছুম প্রমুখ।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষিপাশা ইউনিয়নের নিমাদল গ্রামে ১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল হাসিব মামুন। তার পিতা ছিলেন মরহুম সালিস ব্যক্তিত্ব আব্দুল মতিন জোয়ারদার এবং মাতা লুৎফা খানম জোয়ারদার। শিক্ষাজীবন শুরু করেন কুতুবিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, পরে আত্মহরিয়া দ্বিপাক্ষিক হাই স্কুল, এমসি কলেজ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যুক্ত হন এবং এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাস জীবন শুরু করেও রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে জালালাবাদ এসোসিয়েশন, গোলাপগঞ্জ সোসাইটি এবং সিলেট ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক।
এই সম্মাননা অনুষ্ঠানটি প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তার অবদানের প্রতি একটি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।