সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে আরও তিনজন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) মৃত্যুবরণ করেন খাতিজা বেগম (৪১), মো. মনিরুজ্জামান (৬৬) এবং মো. আমির হামজা। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টাল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ নিয়ে চলতি বছর হজপালনে গিয়ে মোট ২৬ বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ১৭ জন, মদিনায় ৮ জন এবং আরাফায় একজন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের হজ মৌসুমে প্রথম মৃত্যু হয় ২৯ এপ্রিল। সেদিন রাজবাড়ীর পাংশার মো. খলিলুর রহমান (৭০) মৃত্যুবরণ করেন। এরপর একে একে মৃত্যু ঘটে আরও ২৫ জন হাজির।
তালিকাভুক্ত কয়েকজন মৃত হজযাত্রী: মো. ফরিদুজ্জামান (৫৭), কিশোরগঞ্জ – ২ মে,আল হামিদা বানু (৫৮), পঞ্চগড় – ৫ মে,মো. শাহজাহান কবির (৬০), মোহাম্মদপুর, ঢাকা – ৭ মে, হাফেজ উদ্দিন (৭৩), জামালপুর – ৯ মে,বয়েজ উদ্দিন (৭২), নীলফামারী – ১০ মে, মো. অহিদুর রহমান (৭২), সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম – ১৪ মে, মো. জয়নাল হোসেন (৬১), গাজীপুর – ১৭ মে, আ. হান্নান মোল্লা (৬৩), মতলব, চাঁদপুর – ১৯ মে, মো. সাহেব উদ্দিন, পীরগঞ্জ, রংপুর – ২৪ মে, বশির হোসাইন (৭৪), কচুয়া, চাঁদপুর – ২৫ মে, শাহাদাত হোসেন ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর – ২৭ মে।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৫৩), পাঁচবিবি, জয়পুরহাট – ২৯ মে, মোজলেম হাওলাদার (৬৩), মাদারীপুর – ২৯ মে, আবুল কালাম আজাদ (৬২), টঙ্গী, গাজীপুর – ২৯ মে, মো. মফিজ উদ্দিন দেওয়ান (৬০), পুবাইল, গাজীপুর – ১ জুন, মো. জাহিদুল ইসলাম (৫৯), সৈয়দপুর, নীলফামারী – ১ জুন, মনোয়ারা বেগম মুনিয়া, কেরানীগঞ্জ – ৫ জুন, শেখ মো. ইমারুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা, খুলনা – ৬ জুন, মো. মুজিব উল্যা, সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী – ৭ জুন, এ টি এম খায়রুল বাসার মন্ডল, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা – ৯ জুন, গোলাম মোস্তফা, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ – ১০ জুন, আমির হামজা, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট – ১২ জুন, মো. মনিরুজ্জামান (৬৬), কোতোয়ালি, ময়মনসিংহ – ১২ জুন, খাতিজা বেগম (৪১), চাটখিল, নোয়াখালী – ১২ জুন।
চলতি বছর হজযাত্রীদের প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবে পৌঁছে ২৯ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ছিল ৩১ মে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে ১০ জুন এবং চলবে ১০ জুলাই পর্যন্ত।
ধর্ম মন্ত্রণালয় মৃত হাজিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। হজপালনে যাওয়া সব বাংলাদেশির স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।