‘রাস্তার ওপর ফেলছে লাশ, কোনো দয়া ছাড়াই করছে হত্যা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

  • প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৫, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ

সুদানের ইল-ফাশার শহরে হাজার হাজার মানুষ এখনো মৃত্যুর ফাঁদে আটকা, অনেকেই আরএসএফের (র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স) হাত থেকে বাঁচতে লুকিয়ে আছেন।

এমনই এক সৈনিক আবু বকর আহমেদ সেই মাটিতেই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ৫৫০ দিনের বেশি সময় ধরে তিনি ‘পপুলার রেজিস্ট্যান্স’ নামে একটি স্থানীয় প্রতিরোধ বাহিনীর সদস্য হিসেবে লড়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আল-জাজিরা। এই বাহিনী শহরকে আরএসএফ থেকে রক্ষা করতে সুদানের সেনা এবং মিত্র সংগঠনগুলোর সহায়তা করত।

দুই বছর ছয় মাস ধরে চলা দারফুর সিভিল যুদ্ধের মধ্যে ইল-ফাশার ছিল শেষ সেনা অবস্থান। কিন্তু ২৬ অক্টোবর শহরটি আরএসএফের হাতে পড়ে।

সুদানের সেনাপ্রধান আল-বুরহান জানিয়েছেন, সেনারা আত্মসমর্পণ করে নিরাপদ প্রস্থান নিয়ে রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি এড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে এই প্রস্থান ক্ষুধার্ত এবং বিপর্যস্ত ২ লাখ ৫০ হাজার নাগরিকদের আরএসএফের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।

আবু বকর আহমেদ স্মরণ করেন, শেষ লড়াই চলাকালীন একটি রকেট-প্রপেলড গ্রেনেডের বিস্ফোরণে কাছাকাছি একটি গাড়ি ধ্বংস হলে শেল ও ব্লাস্টের ছাই তার পেটে আঘাত করে। তবুও তিনি বেঁচে গেছেন, অনেকের মতো মারা যাননি।

আহমেদ আল জাজিরাকে বলেন, ‘আরএসএফ সাধারণ মানুষদের হত্যা করেছে এবং তাদের লাশ রাস্তার ওপর ফেলে দিয়েছে। তারা কোনো দয়া ছাড়াই মানুষদের হত্যা করেছে।’

সূত্র: আল-জাজিরা

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh