পঞ্চগড়ে তাপমাত্রার পারদ নেমে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১০ অপরাহ্ণ

পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন আরও বাড়ছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পার না হতেই জেলার জনজীবন হিমেল হাওয়া ও কুয়াশায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।

পঞ্চগড়ে গত কয়েক দিন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। এর মধ্যে শুক্রবার তাপমাত্রা ছিল ১২.০ ডিগ্রি, বৃহস্পতিবার ১২.৫ ডিগ্রি, বুধবার ১২.২ ডিগ্রি, মঙ্গলবার ১১.৭ ডিগ্রি, সোমবার ১৩.৩ ডিগ্রি ও রোববার ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল (শুক্রবার) দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ শনিবার সকালে শহর ও আশপাশের এলাকায় কুয়াশা বাড়ায় রাস্তাঘাট ফাঁকা দেখা যায়। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। স্বল্প আয়ের মানুষজন রয়েছে সবচেয়ে বিপাকে। বিশেষ করে ভ্যানচালকদের আয় খুব কমে গেছে। শীতে সকালে যাত্রী না পাওয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের।

জালাশি এলাকার ভ্যানচালক সাগর মিয়া বলেন, ‘ভাই, ঠান্ডা এমন পড়েছে—সকালে মানুষ বেরই হয় না। ভ্যানে উঠবার লোকও নাই। ঠান্ডায় হাত–পা বরফ হইয়া যায়, কাম-কাজও অইতেছে না। আয়-রোজগার একেবারে কমে গছে।’ আরেক ভ্যানচালক সোহেল বলেন, ‘লোকজন উঠতে চায় না, এজন্য ভ্যান দাঁড় করিয়ে রাখি রাস্তায়। শীত বাড়লে তো ভ্যান চালিয়ে চলাই মুশকিল।”

এদিকে, জেলায় সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘শীত আরও কিছুদিন বাড়তে পারে। আজ ১১ ডিগ্রি রেকর্ড হয়েছে, সামনে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh