সব
মতিয়ার চৌধুরী -লন্ডন,

পাকিস্তান অধিকৃত বেলুচিস্থানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক গণহত্যা, গুম এবং পরিকল্পিত অপহরন বন্ধে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্ববাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছে বেলুচ ন্যাশনাল মুভমেন্ট (বিএনএম)। বেলুচ ন্যাশনাল মুভমেন্ট (বিএনএম) নেতারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন সমূহ ও বিশ্বনেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন বেলুচিস্থানের মানুষের পাশে দাড়ান ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। আজ ৪ জানুয়ারী ২০২৬ রোববার লন্ডন সময় দুপুর একটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অফিস ১০ ডাউনিং ষ্ট্রীটের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ আহবান জানান।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন প্রতিদিন বেলুচিস্তানে নীরিহ মানুষকে হত্যা করছে পাকিস্তান আর্মি। ১৯৪৭ সালে থেকে চলে আসছে নীপিড়ন । আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত , প্রতিদিন বেলুচিস্তানে নারী শিশু সহ অসংখ্য মানুষ গুমের শিকাড় হচ্ছে। পরিকল্পিত ভাবে পাকস্তানী আর্মি বেলুচিস্থানের নারীদের গুম করছে। এযাবত পাকিস্তানী আর্মি ৬লাখেও বেশী সাধারন মুনুষকে হত্যা হরেছে। প্রতিদিন বেলুচ নারীরা ধর্ষনের শিকাড় হচ্ছে।
আমরা প্রতিজ্ঞা করেছি বেলুচিস্থানকে পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্ত করে ঘরে ফিরবো। পাকিস্তানী আর্মি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যেভাবে গণহত্যা চালিয়েছিল ঠিক একই কায়দায় বেলুচিস্থানে গণহত্যা চালাচ্ছে। আসুন আমাদের পাশে দাড়ান, অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। বক্তারা বলেন পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বাধীনতা আটকে রাখতে পারেনি, বেলুচিস্তানকেও অন্যায় ভাবে দখল করে রাখতে পারবেনা। বেলুচিস্থান একদিন স্বাধীন হবেই।
বাঙ্গালীরা যে ভাবে তাদের দেশকে পাকিস্তানের দখলমুক্ত করেছে আমরাও বেলচিস্থানকে স্বাধীন করবো। বেলুচিস্তান কোন দিনই পাকিস্তানের অংশ ছিলনা, সব সময় স্বাধীন ছিল, ১৯৪৭ সালে অন্যায় ভাবে বেলুচিস্তানকে পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত করা হয়, যা ছিল অন্যায় এবং অযৌক্তিক।
এসময় প্রতিবাদকারীদের স্বাধীন বেলুচিস্তান, টেররিষ্ট পাকিস্তান সরকার টেররিষ্ট পাকিস্তানী আর্মি ইত্যাদি শ্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রতিবাদ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্থ থেকে প্রায় ৩শতাধিক বেলুচ নারী পুরুষ অংশ নেন। বেলুচিস্থান ন্যাশনাল মুভমেন্ট নেতা মনজুর বেলুচের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নিয়াজ বেলুচ,হাসান দৌস্ত, নাসিম বেলুচ, ইউনুছ বেলুচ, মেহেরুয়ান কামবার, সামিনা বেলুচ, নাসরিন বেলুচ প্রমুখ।