সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন ২০২৬ এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন- বাংলা মিরর নিউজ ও ঢাকা পোস্টের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি, সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান।
সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন -লন্ডন বিচিত্রার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও ব্রিজ বাংলা২৪ এর সাব-এডিটর আব্দুল বাছির।
রবিরার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে পূর্বলন্ডনের একটি হলরুমে অনুষ্ঠিত ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান সভাপতি, জগন্নাথপুর টাইমস এর সম্পাদক, অধ্যাপক সাজিদুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী, ইকরা বাংলা টিভির উপস্থাপক মিজানুর রহমান মীরুর পরিচালনায় এজিএম ২০২৫ সম্পন্ন হয়।
পরে ৩ জন নির্বাচন কমিশনার মহোদয়দের পরিচালনায়, তথা সাবেক স্পিকার আহবার হোসেন, সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন ও সাবেক স্পিকার খালিস উদ্দিন আহমেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউকেবিআরইউ সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্বাচন ২০২৬ ভোট গ্রহণ সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয়। ভোট গ্রহণ শেষে সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে ভোট গনণা করে বিজয়ী প্রার্থী ঘোষণা করেন।
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ উপলক্ষ্যে গ্রেইট ব্রিটেনের পূর্ব লন্ডনের একটি হলে সাংবাদিক ও সুধীসমাজের ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়েছিল।
৫ জুলাই ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এই প্রথম বারের মতো ইসিকমিটি গঠনে নির্বাচন প্রথা শুরু হলো।
ইসিকমিটি ২০২৬ নির্বাচনে বিজয়ী যারা হলেন —
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা মিরর নিউজ ও ঢাকা পোস্টের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি, সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান।
জেনারেল সেক্রেটারী – লন্ডন বিচিত্রার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও ব্রিজ বাংলা২৪ এর সাব-এডিটর আব্দুল বাছির।
সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বিজয়ী হন — বাংলা গার্ডিয়ানের কন্ট্রিবিউটিং রিপোর্টার এস কে এম আশরাফুল হুদা, (তার প্রাপ্ত ভোট ৪৯ )।
ভাইস প্রেসিডেন্ট ২জন নির্বাচিত হন –
ভাটির কণ্ঠের সম্পাদক ও সুনামগন্জ বার্তার রিপোর্টার ইমদাদুন খানম (তার প্রাপ্ত ভোট ৩০ )।
বিশ্বাংলা নিউজে২৪ এর চেয়ার সাহেদা রহমান (তার প্রাপ্ত ভোট ২৬)।
এসিসটেন্ট সেক্রেটারী ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জন নির্বাচিত হন। তারা হলেন —
এনআরবি ইউকে চ্যানেলের এডিটর ও হবিগন্জ এক্সপ্রেসের সম্পাদক – এ রহমান অলি, প্রাপ্ত ভোট ৫৪)।
রেড টাইমস এর আসমা মতিন, (প্রাপ্ত ৩৯)।
অর্গানাইজিং এন্ড ট্রেনিং সেক্রেটারী প্রার্থী ছিলেন ২জন।
বিজয়ী হয়েছেন —
বাংলা ভিউ এর রিপোর্টার জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি তার প্রাপ্ত ভোট ৩১ ।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন-
লন্ডন বাংলা পোস্টের সম্পাদক ও ভয়েস অব টাওয়ার হ্যামলেটসের রিপোর্টার মিসবাউল হক তার প্রাপ্ত ভোট ২৪।
অন্যান্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরো যারা নির্বাচিত হয়েছেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ট্রেজারার নির্বাচিত হয়েছেন জগন্নাথপুর টাইমস বার্তা সম্পাদক ও ইউকে বাংলা গার্ডিয়ানের নির্বাহী সম্পাদক মির্জা আবুল কাসেম।
এসিসটেন্ট ট্রেজারার প্রার্থী ২ জন ছিলেন। একজন প্রার্থী ইলেকশন পূর্বেই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
তাতে এসিসটেন্ট ট্রেজারার অন্য প্রার্থী আনোয়ারুল হক শাহিন নির্বাচিত হন।
অন্যকোন প্রার্থী না থাকায় মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারী নির্বাচিত হন— ডায়াল সিলেটের সম্পাদক ও প্রকাশক সুহেল আহমদ।
একইভাবে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ফ্যাসিলেটিজ পদে নির্বাচিত বাংলা সংলাপের রিপোর্টার ইমরান তালুকদার।
ইসি মেম্বার নির্বাচিত হন ৩ জন – সত্যবাণীর কন্টিবিউটিং এডিটর ডক্টর আনসার আহমদ উল্লাহ, জে টাইমস টিভির অধ্যাপক মো. সাজিদুর রহমান ও ইকরাবাংলা টিভির উপস্থাপক মিজানুর রহমান মীরু।
উল্লেখ্য ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ইসি কমিটির এই নির্বাচন ১৫টি পদের বিপরীতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন ২১ জন সদস্য।
রবিবার বিকেলে আনন্দঘন পরিবেশে ইলেকশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলা মিরর নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা পোস্টের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান বলেন- প্রগতিশীল চিন্তা চেতনায় বিশ্বাসী, সাংবাদিকদের ঐক্য,
অপ-সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে সকলের প্রচেষ্ঠায়, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদপ্রেরণের লক্ষ্যে গ্রেটব্রিটেনে সুন্দর, শান্তিময় সমাজ বিনির্মাণে সাধ্যমত অগ্রণী ভূমিকা পালন করবো।
তিনি আরো বলেন- সংবাদপত্র যারা কাজ করেন প্রিয় সংবাদকর্মী ভাই-বোনেরা— নির্যাতিত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। এটি বিশ্বব্যাপী হচ্ছে, এটি নিন্দনীয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে যে সাংবাদিকরা নির্যাতিত হচ্ছেন তার নিন্দা জানাই।
সংবাদপত্র যে প্রকৃত পক্ষে ‘ফোর্থ স্টেট’ এ ধারণাটিও মূলত শতাব্দী পুরনো। এটি নতুন নয়।
চলমান জীবনে সংবাদপত্রের গুরুত্ব অপরিহার্য। সংবাদপত্র পৃথিবীকে মানুষের মুঠোর মধ্যে দিয়েছে। স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, মানবাধিকার উন্নয়নে ও নাগরিক অধিকার সংরক্ষণে, গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাংবাদিক এবং সংবাদপত্রের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।