সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ঘৃণ্য মন্তব্যকারী জামায়াত নেতার প্রতি খোলা চিঠিতে’ ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এই খোলা চিঠিতে বলা হয়, বরগুনার জামায়াত নেতা শামীম আহসান ‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবন সম্পর্কে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসানের ‘কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন’ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এদিকে, এ বক্তব্যের জন্য আজ রোববারের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে মামলার ঘোষণা দিয়েছে ডাকসু নেতৃত্ব।
রোববার এক বিবৃতিতে ঢাবি কর্তৃপক্ষ এবং খোলা চিঠিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় ডাকসুর এক নেতা।
‘ডাকসু ভবন সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ’ শীর্ষক ঢাবির বিবৃতিতে বলা হয়, ডাকসু ভবন সম্পর্কে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসানের একটি বক্তব্যের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অর্বাচীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
ঢাবির জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তার (মো. শামীম আহসান) এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম, ঐতিহ্য ও সম্মানকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে তার এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছে। এ ধরনের অর্বাচীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছে।
অন্যদিকে, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ঘৃণ্য মন্তব্যকারী জামায়াত নেতার প্রতি খোলা চিঠিতে’ ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এই খোলা চিঠিতে বলা হয়, বরগুনার জামায়াত নেতা শামীম আহসান ‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা’ বলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে ঘৃণ্য বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
খোলা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এটা সত্যি যে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশেপাশে থেকে অনেকগুলো মাদক ও পতিতা সিন্ডিকেট [এরা ঢাবির নয় সব বহিরাগত ছিল] চিহ্নিত করে রমনা জোন পুলিশের মাধ্যমে এদেরকে আইন অনুযায়ী হাতেনাতে ধরেছেন।
কিন্তু তাই বলে জামায়াত নেতা যেভাবে ঢালাওভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদক এবং বেশ্যাখানা বলে যে মন্তব্য করেছেন তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চরম অবমাননাকর। তাকে অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
খোলা চিঠিতে বলা হয়, যদি সে (মো. শামীম আহসান) আজকের মধ্যে ক্ষমা না চায় তাহলে আমরা আগামীকাল (সোমবার) তার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করব।