চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ১৩

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ


চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় নির্বাচনী প্রচারণের সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৩ জন আহত হয়েছে। বিএনপির আহত ৮ জন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার বিকেলে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জুগীরহুদা গ্রামে উভয়পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেলের নির্বাচনী প্রচারণার কাজে যান নারী সদস্যরা। আলমডাঙ্গা উপজেলার জুগীরহুদা গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির পক্ষে ৮ জন আহত হন। জামায়াত ইসলামীর ৫ জন আহত হন।

বিএনপির আহতরা হলেন- আলমডাঙ্গা উপজেলার জুগীরহুদা গ্রামের মানিক মিয়া, মুক্তি খাতুন, রাব্বি, রিক্তা, হায়দার আলী বিশ্বাস, বিল্লালুর রহমান, আসাবুল ও লেমনী খাতুন। আহতরা সবাই চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জামায়াত ইসলামীর পক্ষের আহতরা হলেন- ওল্টু, মাসুদ, বাদশা, আরিফুল ও ইমরান। তারা আলমডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সোহরাব হোসেন জানান, আলমডাঙ্গা থেকে জরুরি বিভাগে ৮ জন নারী পুরুষ আসেন। তাদের চিকিৎসা শেষে ওয়ার্ডে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে আহত নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ বিএনপির ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

অপরদিকে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারীকর্মীদের বারবার নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় জামায়াতের নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।

পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী বলেন, খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ওই গ্রামে পৌঁছে। পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ও পরিস্থিত স্বাভাবিক আছে বলেও জানান তিনি।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh