সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

কুমিল্লার হোমনায় জহির নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের মণিপুর এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—মণিপুর এলাকার প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী আক্তার (২৫), তাদের ছেলে হোসাইন (৫) এবং জহিরুলের ভাই প্রবাসী ছাত্তার মিয়ার ছেলে জুবায়ের (৬)। সোমবার রাতে তারা একই কক্ষে ঘুমিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশিরা।
হোমনা থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জহিরুল ইসলাম ও তার ভাই ছাত্তার সৌদি প্রবাসী। জহিরের স্ত্রী তার পাঁচ বছরের ছেলে হোসাইন এবং ছাত্তারের ছয় বছরের ছেলে জুবায়েরকে নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন। তারা সকালে ঘুম থেকে উঠছে না দেখে প্রতিবেশীরা ডাকতে গিয়ে দেখেন ঘরের সামনের দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় জানালা দিয়ে দেখেন ঘরের মেঝেতে তিনজনেরই রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে।
ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার সকালে ঘরে তিনজনের মৃতদের পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশ দরজা খুলে দুই শিশু এবং এক নারীর মরদেহ পেয়েছে। সেগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হৃদয়বিদারক ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো একসময় তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।