সব
মো: জিয়াউর রহমান খান সোহেল ব্যুরো প্রধান ইতালি।,

শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে মনফালকনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিন ব্যাপি ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলেট সেবা।
প্রবাসে কনস্যুল সেবার ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইতালির মনফালকনে দুইদিন ব্যাপী কনস্যুলেট সেবা বাংলাদেশ কনস্যুলেট মিলানের আয়োজনে ও গরিঝিয়া মনফালকনে কমিউনিটির সহযোগিতায় ভ্রাম্যমান কনসুলেট সেবার কার্যক্রম সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
দুইদিনে প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী সেবা গ্রহণ করেছেন। পাসপোর্ট নবায়ন, নো ভিসা, ম্যারেজ সার্টিফিকেট, ফ্যামিলি সার্টিফিকেট, প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আনার্স বোর্ডের মেম্বারশীফ সহ কনস্যুলেট এর নানান সুবিধা গুলো এই ক্যাম্প থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গ্রহণ করেন।
কনস্যুলেট সেবায় উপস্থিত ছিলেন মিলান কনস্যুলেট এর কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ রফিকুল আলম, ভাইস কনসাল শরিফুল ইসলাম, শ্রম কনসাল মিস মেহরুবা ইসলাম সহ মিলান কনস্যুলেট এর সকল কর্মকর্তারা।
সেবা গ্রহণ করতে আসা একজন সেবা গ্রহিতা মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন ব্যাবস্হাপনার সামান্য ত্রুটিবিচ্যুতি ছাড়া একটি সুন্দর ও সফল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে যার সুফল ভোগ করেছে মনফালকনে ও আশে পাশের সহস্রাধিক প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

আয়োজকদের মধ্য থেকে ফরিদুল ইসলাম আনিস বলেন আমাদের অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল ত্রুটির জন্য আমরা সেবা গ্রহিতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে এধরণের ক্যাম্প আয়োজনে আমাদের স্হানীয় সেচ্ছাসেবকদের আরো দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে।
তিনি মনে করেন ক্যাম্পে যে পরিমানে পাসপোর্টে এর কাজ করা সম্ভব তারচেয়ে দিগুণ মানুষে সেবা নিতে এসেছেন এতে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
সবকিছু মিলিয়ে এ সেবা দান কর্মসূচির ফলে একদিকে যেমন মিলান যাওয়ার বিড়ম্বনা থেকে মানুষ রক্ষা পেয়েছে অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতি থেকেও বেচে গিয়েছে।
স্থানীয় বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে মিলান কনসাল জেনারেল সহ সকল কর্মকর্তাদের কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রাখার দাবি জানান প্রবাসী সহ মনফালকনে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দরা।
জনসেবা মূলক কাজ করতে গিয়ে যেন জনভোগান্তি না হয় সে ব্যাপারে আয়োজকদের যেমন আরো দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করতে হবে তেমনি সেবা গ্রহিতাদেরও আরো সহনশীলতারা পরিচয় দিতে হবে। তানাহলে ভবিষ্যতে এই ধরনের সেবামূলক কাজের আয়োজনে কেউ আগ্রহ প্রকাশ করবে না। সবার সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় জনভোগান্তি কিভাবে কমানো যায় সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা গ্রহণে উদ্যোগী হতে হবে।