ক্রুড অয়েল সংকটে ইআরএলের উৎপাদন বন্ধের শঙ্কা

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ

অপিরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রয়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ক্রুড অয়েল আমদানি করতে না পারায় ইআরএল’র পরিশোধন কার্যক্রম সোমবার বিকালের পর বন্ধের পর্যায়ে যায় বলে জানিয়েছেন সেখানকার এক কর্মকর্তা। তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলছেন, “এটিকে পুরোপুরি বন্ধ বলা যাবে না, ডেড স্টক দিয়ে কার্যক্রম চালু রাখা আছে।”

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের কোনো চালান বাংলাদেশে আসেনি। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ দেশে আসে; সেই তেল দিয়ে ইআরএলে এতদিন শোধন প্রক্রিয়া চলছিল।

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে গত মার্চ মাসে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের চালান দেশে আসার কথা ছিল। তেলভর্তি জাহাজটি গত ৩ র্মাচ সৌদি আরবের রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে দেশে আসার কথা থাকলেও তা আসতে পারেনি।

সরকার বিকল্প উপায়ে সৌদি আরামকোর কাছ থেকে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল কেনার জন্য ঋণচুক্তি করেছে। আগামী মাসে সেটি দেশে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছেন বিপিসির কর্মকর্তারা। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি। সেকারণে ইর্স্টান রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েলের সংকট হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি এখনো বন্ধ হয়নি, ডেড স্টক দিয়ে চালু আছে।” তিনি বলেন, “এটাকে বন্ধ বলা যাবে না। আমরা ইআরএল এর জ্বলানির ওপর নির্ভরশীল নই। নতুন করে ক্রুড অয়েল আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।

“আমদানি করা পরিশোধিত তেলের মাধ্যমেই আমাদের চাহিদা মেটানো হয়। দেশে জ্বলানি তেলের এখনো কোন সংকট নেই।”

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh