‘হামের সংক্রমণ যে পর্যায়ে আসছে, কমে আসতে সময় লাগবে’

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শিশুর শরীরে টিকা দেওয়ার পর ‘ইমিউনিটি তৈরিতে সময় নেয়’। ফলে দেশে হামের সংক্রমণ যে পর্যায়ে আসছে, তা কমে আসতে সময় লাগবে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন জাহেদ উর রহমান।

হাম পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতির ‘উন্নতি হবে না’।

তিনি বলেন, দেশের একটি অংশের শিশু টিকার কাভারেজের মধ্যে ছিল না। আমরা আবারো বলতে চাই এটা আগের একটা ব্যর্থতার সমস্যা। তারপরও এগুলো বলে আমাদের শিশুদের মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারি না।

আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং যখন একই সেবা অনেকের প্রয়োজন হয় বিশেষ করে আইসিইউয়ের মত সেবা তখন এটা জটিল হয়ে যায়। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে পরিস্থিতি ঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য।

ব্যর্থতার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কী না প্রশ্নে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রত্যেকটা নেগেটিভ ঘটনা আমরা সিরিয়াসলি ক্ষতিয়ে দেখি। একটা এয়ারপ্লেন ক্র্যাশ হলে তার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা হয়, উদ্দেশ্য থাকে পরবর্তী ফ্লাইট যেন আরও নিরাপদ হয়। এই বিষয়টাও আমরা সিরিয়াসলি ক্ষতিয়ে দেখছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একটা মন্তব্য নিয়ে কেউ কেউ সমালোচনা করেছেন, সমালোচনা করতেও পারেন কেউ। কিন্তু আমরা মনে হয় তার ফিলিংটা বুঝতে পারি যে এতগুলো শিশু মারা যাচ্ছে তিনি এটা সহ্য করতে পারেননি। এটা পারা যায় না। সো আমরা অবশ্যই এগুলো প্রত্যেকটা ক্ষতিয়ে দেখছি কোথায় কোথায় কোন কোন সমস্যা।

তিনি বলেন, আমি ডাক্তার, আমি এটা বলতে পারি কিছু প্রিভেন্ট করা শিখে গেছেন এগুলোতে মানুষ মারা যাবে না। একটা শিশুও মারা যাবে না। এ ধরনের ডিজিজে কেউ মারা গেলে মানা যায় না। কিছু কিছু ডিজিজ আছে আপনার হয়ে যেতে পারে। আপনি আমি কেউ ভেতরে ভেতরে একটা ক্যান্সার নিয়ে হাঁটছি কিনা আমরা আসলে জানিনা, দুদিন পর বের হতে পারে। কিন্তু এই ডিজিজটা আমরা প্রিভেন্ট করতে পেরেছিলাম, সো এইটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির ৩১ দফার মধ্যে প্রিভেন্টিভ মেডিসিন নিয়ে অনেক বেশি কথা বলা হয়েছে। সো টিকা দিতে পারা কিন্তু এক ধরনের প্রিভেনশন। সো আমরা এটা করবই এনি কস্ট।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh