এবার যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক বন্যা, ২০ জনের বেশি নিখোঁজ

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা প্রদেশের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে স্থানীয় সময় শনিবার (২৯ আগস্ট) আকস্মিক বন্যার পর ২০ জনের বেশি মানুষের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন পার্কের রেঞ্জাররা।

ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্যানিয়ন ও ফ্যান্টম রেঞ্চ এলাকায় শনিবার এই বন্যার উৎপত্তি হয় বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস।

এ প্রসঙ্গে গতকাল ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস জানায়, ২০ জনের বেশি ব্যক্তি নিখোঁজ বা তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। একইসঙ্গে তাদের বিষয়ে তথ্য দিতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

তাদের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যারিজোনা ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটির সঙ্গে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্কের কর্মীরা এখনও ঘটনাস্থল খালি করা এবং ওই এলাকায় আটকে পড়া ব্যক্তিদের দ্রুত উদ্ধারে কাজ করছেন।

জানা যায়, গতকাল পর্যন্ত উপদ্রুত এলাকা থেকে ৬২ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, শনিবার বিকেলে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের দুর্গম অভ্যন্তরীণ এলাকায়, কলোরাডো নদীর তীরে অবস্থিত ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্যানিয়ন ও ফ্যান্টম র‍্যাঞ্চ এলাকায় আকস্মিক বন্যা আঘাত হানে। এলাকাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ হলেও পার্কের ভেতরের এই অংশ অত্যন্ত দুর্গম।

জানা যায়, পানির প্রবল স্রোতে পার্কের ট্রেইল অবকাঠামোর ব্যাপক ও ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে। কলোরাডো নদীর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপনদী ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্রিকের ওপর থাকা প্রায় সব পায়ে হাঁটার সেতু ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে জলধারাটি পার হয়ে হাইকারদের চলাচলের সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পার্ক সার্ভিস ফ্যান্টম র‍্যাঞ্চ, ব্রাইট অ্যাঞ্জেল ক্যাম্পগ্রাউন্ড এবং পুরো নর্থ কাইবাব ট্রেইল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, কটনউড ক্যাম্পগ্রাউন্ড ও ফ্যান্টম রেঞ্চ এলাকা থেকে আজ আরও অনেককে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই এলাকায় আটকে পড়েছেন এমন কোনো হাইকার বা ব্যাকপ্যাকারের তথ্য থাকলে তা দ্রুত পার্ক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেভিড গ্রেগরি নামে এক হাইকার জানান, তিনি একটি ছোট দলের সঙ্গে হাইকিং করতে এসেছিলেন। তবে, হঠাৎ বন্যা শুরু হওয়ায় তাদের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়। তিনি বলেন, আমরা বুঝতে পারছিলাম অনেক জঞ্জালসহ পানিপ্রবাহ দ্রুত এগিয়ে আসছে।

তিনি আরও জানান, তাদের হেলিকপ্টারে করে সেখান থেকে নিকটস্থ একটি স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয় ও পরবর্তীতে রাতে হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সূত্র: এনডিটিভি

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh