গ্লোবাল পাওয়ার অ্যাওয়ার্ডসে সম্মানিত জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজার

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ

চার দশকের সহযোদ্ধা মরহুম দৌলত খান বাবুলের স্মৃতিতে সম্মাননা উৎসর্গ

খেলাধুলা, কমিউনিটি উন্নয়ন ও সমাজসেবায় দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গ্লোবাল পাওয়ার অ্যাওয়ার্ডস ইউকে ২০২৬-এ সম্মানিত হয়েছেন বিশিষ্ট কমিউনিটি সংগঠক জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজার। তবে এই সম্মাননার আনন্দের মুহূর্তটি তাঁর কাছে হয়ে উঠেছে গভীর আবেগ ও স্মৃতিবেদনারও। জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অর্জন তিনি উৎসর্গ করেছেন তাঁর চার দশকেরও বেশি সময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা ও সোনালী অতীত ইউকে’র প্রতিষ্ঠাতা মরহুম দৌলত খান বাবুলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

সম্প্রতি মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের লড়াই শেষে মৃত্যুবরণ করেন দৌলত খান বাবুল। তাঁর মৃত্যুতে কমিউনিটিতে নেমে আসে শোকের ছায়া। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধু জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজারের জন্য এই শূন্যতা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজার বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই স্বীকৃতি তাঁর জন্য অত্যন্ত সম্মান ও গৌরবের। কিন্তু প্রিয় বন্ধু ও দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা দৌলত খান বাবুলকে ছাড়া এই অর্জনের আনন্দ অনেকটাই অসম্পূর্ণ।

তিনি বলেন, “দৌলত খান বাবুল শুধু আমার বন্ধু ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমার পরিবারের একজন সদস্যের মতো। চার দশকেরও বেশি সময় আমরা পাশাপাশি থেকে কমিউনিটির কল্যাণ, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে কাজ করেছি।”

তিনি আরও বলেন, সোনালী অতীত ইউকে প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে দৌলত খান বাবুলের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং কমিউনিটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ভবিষ্যতেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।

জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজার বলেন, তাঁর দীর্ঘ সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী জীবনের বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডে দৌলত খান বাবুল ছিলেন একজন বিশ্বস্ত সহযাত্রী ও অনুপ্রেরণার উৎস। জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ে তাঁরা একে অপরের পাশে থেকেছেন এবং কমিউনিটির মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।

দৌলত খান বাবুলের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমাদের পথচলার চার দশকেরও বেশি সময়ের স্মৃতি কখনো ভোলার নয়। তাঁর মতো একজন অকৃত্রিম বন্ধু ও সহযোদ্ধাকে হারানোর বেদনা আজীবন হৃদয়ে থাকবে।”

গ্লোবাল পাওয়ার অ্যাওয়ার্ডসের এই সম্মাননা তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক, ক্রীড়া ও কমিউনিটি কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। পুরস্কার প্রাপ্তির পর জয়নাল আবেদীন মিয়া গুলজার গ্লোবাল পাওয়ার অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে দীর্ঘদিন তাঁর বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও উৎসাহ দেওয়ার জন্য কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের প্রতিও তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি কমিউনিটির জন্য আরও বেশি কাজ করার দায়িত্ব ও অনুপ্রেরণা বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও সমাজ, কমিউনিটি এবং তরুণ প্রজন্মের কল্যাণে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh