সব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক এনকাউন্টারে পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের এক মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীসহ তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে।
মোস্ট ওয়ান্টেড ওই সন্ত্রাসীর নাম সাইফুল্লাহ। কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, গত দুই বছর ধরে ওই এলাকায় সক্রিয় থাকা সাইফুল্লাহ নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের মুখে অন্তত ২০ বার চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।
অভিযান ও এনকাউন্টার:
নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, সন্ত্রাসীদের গতিবিধি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান শুরু হয়।
কিশতওয়ারের একটি পাহাড়ের ঢালে মাটির ঘরের ভেতরে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। নিরাপত্তা বাহিনী যখন হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই তারা গুলি ছুড়তে শুরু করে।
জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা গুলিতে তিন জঙ্গিই নিহত হয়। শনিবার রাত থেকে শুরু হয়েছিল গুলির লড়াই।
রোববার সকালেই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়াড় জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে এক জৈশ-ই-মোহম্মদ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে।
পরে জানানো হয়, নিহত জঙ্গি একজন নয়, দু’জন। আর তার মধ্যেই রয়েছে জইশ এর মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি সাইফুল্লাহ। তার মাথার দাম ছিল ৫ লাখ টাকা।
এই অভিযানে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং বিশেষ বাহিনী যৌথভাবে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি অ্যাসল্ট রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ রসদ উদ্ধার করা হয়েছে।
তাছাড়া, সাইফুল্লাকে হত্যা করাই এ অভিযানের সবচেয়ে বড় জয় বলে মনে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় পত্রিকা এনডিটিভি।
এর আগে একই এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আদিলকে গুলি করে হত্যা করেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। গত এক মাসে চাত্রু বন এলাকায় প্রায় ছয়বার এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে।
গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন ত্রাশি-১’ এর মাধ্যমে কিশতওয়ারের চাত্রু, সোনার, দোলগাম এবং দিচ্ছারের মতো দুর্গম বনাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকাগুলোতে সন্ত্রাসবাদ দমনে নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান চালিয়ে আসছে নিরাপত্তা বাহিনী।