জার্মানি যাওয়ার পথে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ

জার্মানির উদ্দেশে যাত্রাপথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে। এ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে ড্রুক এয়ারের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

এ সময় দুই মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শেরিং টোবগেকে শুভেচ্ছা জানান। পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারা সংক্ষিপ্ত বৈঠকে বসেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচনায় বাংলাদেশ ও ভুটানের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ভূমিকার কথাও স্মরণ করা হয়।

বৈঠকে ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান দুই মন্ত্রী। প্রকল্পটিতে বাংলাদেশের পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি যুক্ত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সহযোগিতা চাওয়া হয়। দুই মন্ত্রী বলেন, সার্ক কার্যকরভাবে পুনরুজ্জীবিত হলে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়বে এবং জনগণও এর সুফল পাবে।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী প্রায় এক ঘণ্টা বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থান করেন। পরে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।

প্রায় দুই মাসের মধ্যে ভুটানের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় যাত্রাবিরতি এটি। এর আগে গত ২৬ আগস্ট ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন। সে সময় বিমানবন্দরে তার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয় এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh