নিউইয়র্ক টাইমসের নির্বাহীকে গুলি করে হত্যা

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জোনাথন ম্যাককিনসি নামে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক নির্বাহীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ওই ব্যক্তির শ্বশুর-শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৪০ বছর বয়সী জোনাথন ম্যাককিনসি নিউইয়র্ক টাইমসের গেমস প্লেয়ার এক্সপেরিয়েন্স বিভাগের প্রকৌশল শাখার পরিচালক ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গত শনিবার বিকেলে সান ফ্রান্সিসকো থেকে ৫৬ কিলোমিটার পূর্বে ডাবলিনের একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় একাধিক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জোনাথনের মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় জোনাথনের শ্বশুর-শাশুড়ি শৌইয়ং ঝাং ও শিলি চেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দুজনেরই বয়স ৭৭ বছর। তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, চরম অবহেলার সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া এবং শিশুকে বিপদের মধ্যে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

দম্পতির কোনো আইনজীবী আছেন কি না, তা জানা যায়নি। আগামীকাল বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগের মুখোমুখি করা হবে।

জোনাথনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেজিও-টিভিকে প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলেছেন, তাঁরা পরপর বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শুনেছেন। এরপর জোনাথনকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।

আসাদ রাজাওয়ি নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী কেজিও-টিভিকে বলেন, আমি দেখলাম, লোকটি মাটিতে পড়ে গেল। তার মাথা ও বুক রক্তাক্ত ছিল।

আসাদের মেয়ে বলেন, তার বাবা ওই দম্পতিকে ‘একসঙ্গে হাঁটতে এবং গুলি চালানোর পর স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে যেতে’ দেখেছেন।

ঘটনার কয়েক মিনিট পর ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, হামলার পরও তারা ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলেই জোনাথনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে তাঁকে হত্যার কারণ বা সম্ভাব্য কোনো উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানায়নি পুলিশ। গ্রেপ্তার ওই দম্পতিকে সান্তা রিটা কারাগারে রাখা হয়েছে।

সিএনএন–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বয়স্ক ওই দম্পতির মেয়ে ক্যান্ডিস ঝাংয়ের সঙ্গে জোনাথনের বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। এক সপ্তাহ পর ওই মামলার শুনানির তারিখ ছিল।

আদালতের নথি অনুযায়ী, তারা ২০১২ সাল থেকে বিবাহিত এবং তাদের তিন সন্তান রয়েছে। জোনাথন হত্যাকাণ্ডের পর ক্যান্ডিসের নামে থাকা ফোন নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া গেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh