সব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে এবং তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা বা চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আগ্রহী।
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ইরানের অতীত রেকর্ডের কারণে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চরম সংশয় রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলার সম্ভাবনাও সরাসরি নাকচ করেননি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় আয়োজিত একটি হ্যালোইন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন।
কাতারের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খুব বেশি তাড়াহুড়োর মধ্যে নেই। আলোচনা চলছে এবং তারা একটি চুক্তি করতে চায়। তবে দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত তারা চুক্তি করে কি না।”
ইরানের ওপর আস্থার সংকটের বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরে তিনি বলেন, “তারা খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়। তারা চুক্তি করে, আবার কিছু দিন পর সেখান থেকে সরেও আসে।”
কঠোর ভাষায় ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইতিমধ্যেই ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং সার্বিক উৎপাদন সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের ‘পিক অ্যাক্স মাউন্টেন’-এ অবস্থিত যেটিকে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক স্থাপনা বলে দাবি করে আসছে, সেখানে হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমরা চাইলে খুব দ্রুতই এসব করতে পারি।”
ইরানের ওপর নতুন করে কোনো সামরিক হামলার নির্দেশ তিনি দেবেন কি না সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এটিকে একটি ‘বোকামিপূর্ণ’ প্রশ্ন হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, “ধরে নিন, আমি এমন কোনো নির্দেশ দিলাম। তাহলে কি আগে থেকেই আপনাদের তা জানাব? আমি তো কখনোই তা বলতে পারি না।” আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।