সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
একাত্তরের গণহত্যা ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের জন্য পাকিস্তানকে বাংলাদেশের কাছে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে দূতাবাস ঘেরাও করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে পাকিস্তান দূতাবাসে ওই স্মারকলিপি পৌঁছে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের পক্ষে স্মারকলিপিটি পৌঁছে দেন পাকিস্তান দূতাবাসের কূটনীতিক জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ভাস্কর-শিল্পী রাশা, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন, সংগঠনটির আইন বিষয়ক সম্পাদক এজেডইউ প্রিন্স ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ।
এর আগে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশের সমাবেশে সংহতি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, পাকিস্তান এখনও আমাদের মেনে নিতে পারছে না। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন বাংলাদেশের কাছে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে, পাওনা টাকা পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু তার কোনোটাই তারা পূরণ করেনি। বরং ১৯৭৫ সালে খুনি জিয়া-মোশতাক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধুর খুনের পেছনে পাকিস্তানের বড় হাত ছিলো। এছাড়া ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায়ও পাকিস্তানের হাত ছিলো। সেই গ্রেনেড পাকিস্তান থেকে এসেছিলো। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দূতাবাস এখনও ষড়যন্ত্র চলমান রেখেছে। পাকিস্তান দূতাবাসের কার্যক্রমে নজরদারি বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।