সিলেটে বিপৎসীমার ওপরে ৩ নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৪, ১০:৩২ অপরাহ্ণ

সিলেটের তিনটি নদীর তিন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বৃষ্টিতে জেলার খাল ও নালার পানি বেড়ে জলাবদ্ধ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সিলেট নগরের ভেতরে অনেক বাসাবাড়িতে পানি জমেছে। ঈদের মধ্যেই বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রবিবার (১৬ জুন) সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিলেটের সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্ট, কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট এবং সারি নদের সারিঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এছাড়া গত দুই দিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার খাল ও নালার পানি বেড়ে অনেক বাসাবাড়িতে পানি উঠেছে। ঈদের এক দিন আগে এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন নগরসহ অন্য এলাকার বাসিন্দারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, সিলেটের সব কটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে আজ দুপুর ১২টায় সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা থেকে ৯৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীটির সিলেট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৪১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সারি নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর গোয়াইনঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ভারতের মেঘালয়ে বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি ঢল নেমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতে বৃষ্টিপাত কমে এলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সিলেট জেলা প্রশাসন ও সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি আছে। জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি উপজেলায় উদ্ধারকাজের জন্য নৌকাও প্রস্তুত আছে। ঈদের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবারের আয়োজনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বন্যা পরিস্থিতিতে ত্রাণসহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh