বেলজিয়াম ও ইইউতে ভারতের রাষ্ট্রদূত হলেন প্রণয় ভার্মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক,

  • প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ

ঢাকায় ভারতের হাই কমিশনারের দায়িত্ব সামলে আসা প্রণয় ভার্মাকে এবার রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো হলো বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ)। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মা শিগগিরই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ‘আশা করা হচ্ছে’।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পালন করে আসা প্রণয়কে ব্রাসেলসে নেওয়ার উদ্যোগের কথা সম্প্রতি দেশটির সংবাদমাধ্যম বলা হচ্ছিল। গত ২৭ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পরে সেখানকার দায়িত্ব ভারতের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশে আসার আগে ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র সার্ভিসের ১৯৯৪ ব্যাচের এ কর্মকর্তা তার আগে হংকং, স্যান ফ্রান্সিসকো, বেইজিং, কাঠমান্ডু ও ওয়াশিংটন ডিসিতে ভারতীয় মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে হ্যানয় দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত হয়ে যাওয়ার আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব-এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভারতের পরমাণু কূটনীতি নিয়ে কাজ করা অ্যাটমিক এনার্জি বিভাগের যুগ্ম সচিবের দায়িত্ব সামলেছেন প্রণয় ভার্মা।

যন্ত্রকৌশলে স্নাতক করা প্রণয় ভার্মা ফরেন সার্ভিসে আসার আগে টাটা স্টিলে কর্মজীবন শুরু করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মিডলবারি ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থেকে চীনা ভাষার উপর স্নাতকোত্তর করেছেন তিনি। ঢাকায় প্রণয় ভার্মার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে বিহারের সদ্য সাবেক রাজ্যপাল আরিফ মোহাম্মদ খানের নাম ভাসছে আলোচনায়।

পেশাদার কূটনীতিক না হলেও তাকেই প্রতিনিধি হিসেবে ভারত সরকার প্রতিবেশী বাংলাদেশের জন্য বেছে নিতে পারে বলে আভাস মেলার কথা বলছে কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমসনাউ লিখেছে, কেবল পেশাদার কূটনীতিকদেরই রাষ্ট্রদূত বা হাই কমিশনার করতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা ভারতে নেই। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক বা কর্মকর্তাদেরও দূত হিসেবে পাঠিয়েছে ভারত।

সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, ঢাকায় পরবর্তী হাই কমিশনার একজন পেশাদার কূটনীতিক হবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রণয়ের উত্তরসূরি হিসেবে বিহারের সাবেক রাজ্যপাল আরিফ মোহাম্মদ খানের নাম আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি একজন বাংলা ভাষাভাষী দূতের কথাও শোনা যাচ্ছে, যিনি বাংলাদেশের ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত। এ কারণে ঢাকায় হাই কমিশনার হিসেবে রাজনৈতিক ব্যক্তির দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh