হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, এনটিআরসিএর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বাধা নেই

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

আগামী ১৮ এপ্রিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনে আর কোনো বাধা নেই।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক পরীক্ষা স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেন।

এর আগে বুধবার নিয়োগ নীতিমালা–সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ১১৪ জন প্রার্থীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চেম্বার বিচারপতি এ স্থগিতাদেশ দেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজম বলেন, চেম্বার বিচারপতির এই আদেশের ফলে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আইনি বাধা নেই।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খন্দকার বাহার রুমি, নূর মোহাম্মদ আজমী ও মেহেদী হাসান।

আজ দুপুরে শুনানির সময় রিটকারীদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে রিটকারীদের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বুলবুল সাংবাদিকদের জানান, দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বুধবার এ আদেশ দেন।

গত ২৯ জানুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রার্থীদের ১০ থেকে ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে স্কুল ও কলেজের ক্ষেত্রে আবেদন জমা দেওয়ার ১৯ দিন পর এবং ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, প্রযুক্তি, ডিপ্লোমা ও মাদ্রাসা শিক্ষা খাতে ২৫ দিন পর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হয়।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের সব পদের জন্য ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নির্ধারণ করা হয়, যা তার মক্কেলদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানান আইনজীবী হুমায়ুন কবির।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh