সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।
‘The Companies Act, 1994’ এবং বিমানের ‘Articles of Association’-এর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ১৩ সদস্যের এই নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জনাব রুমি এ হোসেন, যিনি ব্যাংক এশিয়া পিএলসি-এর স্পন্সর ডিরেক্টর ও বোর্ড নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকিং ও করপোরেট খাতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। আর্থিক ব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসন এবং কৌশলগত পরিকল্পনায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার, সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল মোঃ হাসান উজ জামান, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও এম মাসরুর রিয়াজ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব শরীফ জহির, ডিবিএল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আবদুর রহিম, ইনডেক্স কোম্পানিজ-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইসিএমএবি-র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ, চৌধুরী অ্যান্ড ল-ফার্মের হেড অব চেম্বারস ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক আবু নাসের আহমেদ ইশতিয়াক এবং পদাধিকার বলে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও স্কোঃ লীঃ কাইজার সোহেল আহমেদ (অবঃ)।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিমানের প্রধান কার্যালয় বলাকা-তে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম দিনব্যাপী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিমানের সামগ্রিক কার্যক্রম, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সেবা উন্নয়ন, বহর সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
মেধা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দল হিসেবে এই পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্বে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একটি স্বনির্ভর, আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা হিসেবে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে বলে সবার প্রত্যাশা।