ইউপি নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন নিয়ে ইসির বৈঠক দুপুরে

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ


আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সম্ভাব্য কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশব্যাপী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কমিশন। এই নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই মাঠ পর্যায়ের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে এই সমন্বয় সভার ডাক দেওয়া হয়েছে।

ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ইতিমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বৈঠকের নোটিশ পাঠিয়েছেন। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড এবং আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালকদের বৈঠকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া ডিজিএফআই, এনএসআই ও এনটিএমসির মতো জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও বৈঠকে জরুরি দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণখেলাপি যাচাই এবং কালোটাকার লেনদেন বন্ধে কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা সচল রাখতে বিটিআরসি ও ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদেরও রাখা হয়েছে এই বৈঠকে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একই সাথে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংসদীয় উপনির্বাচনের মতো বড় দুটি আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা ইসির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভোটকেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, নির্বাচনী ব্যয় তদারকি এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতেই প্রশাসন ও বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এই বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh