সচিবালয় সরানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মেলার গেইট-স্টল ভাঙচুর

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ

সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে এশিয়া আন্তর্জাতিক মেলার জন্য নির্মিত একটি গেইট ও কয়েকটি স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়েছে।

মাঠটি পুনরুদ্ধারের দাবিতে বুধবার সকালে মিছিল নিয়ে সেখানে গিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাঁরা মেলার গেইট ও স্টল ভাঙচুর করেন।

বর্তমান স্থান থেকে বাংলাদেশ সচিবালয় সরিয়ে শেরেবাংলা নগরের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নেওয়ার ঘোষণার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকাস্ট্যান্ডের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা। একপর্যায়ে মাঠে থাকা মেলার গেইট ও স্টল ভাঙচুর করা হয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, মঙ্গলবার তাঁরা কর্তৃপক্ষকে বলেছিলেন, যেন মেলা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ জন্য সময়ও বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো অগ্রগতি না দেখে তাঁরা মাঠে গিয়েছেন।

মাঠ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

মেলার মহাজন মো. জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, “আমরা এখনই গেইট সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলে দিচ্ছি। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কেউ নই। আমরা এটি সরিয়ে ফেলব।”

শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম মনির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ছাত্ররা মাঠে এসেছিল। গেইটসহ দুয়েকটা ছোট স্থাপনা ভাঙচুর করেছে। তাদের দাবি জানিয়ে পরে আবার চলে গেছে।”

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয় স্থাপনের জন্য পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠের সয়েল টেস্টের কাজ চলার সময় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সেখানে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মাটি পরীক্ষার যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান বলেন, “ওই মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের কথা রয়েছে। তবে ৫ অগাস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সেখানে মাঠ গবেষণার জন্য একটি ইনস্টিটিউট ধরনের প্রতিষ্ঠান করতে চেয়েছিলেন। এ কারণে তাঁরা সচিবালয় স্থানান্তরের বিরোধিতা করে আসছিলেন।

“তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই ভাঙচুর। এই ঘটনায় আমাদের আসলে করার কিছু নেই। এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণপূর্তের সঙ্গে কথা বললে ভালো হয়।”

ভাঙচুরের ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh