সব
মতিয়ার চৌধুরী , লন্ডন,

পারমানবিক হামলা হলে করনীয় সম্পর্কে নাগরিকদের সতর্ক করেছে ইরান সরকার। পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে দেশটির নাগরিকদের জন্য কয়েকটি নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তড়িঘড়ি করে নাগরিকদের জন্য জারি করা হয়েছে এইসব নির্দেশাবলী। এর আগে ইরানের মাউন্ট কোলাং পর্বতমালাসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন কী মার্কিন গণমাধ্যমে এই খবরও প্রকাশিত হয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইরানে আবার হামলা চালানোর জন্য চাপ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য মঙ্গলবারই ইরানের উপর হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেছেন। টেলিফোন মারফত ‘ফক্স নিউজ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। এর আগে হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর খবর পাওয়া গিয়েছিল।ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “ইরান একটা অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম তৈরি করেছিল এবং শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটাকে নিশানা করে আমরা গত রাতে সফলভাবে আঘাত হেনেছি।”
তিনি এই অভিযানকে “লিমিটেড অ্যাটাক” বা সীমিত পরিসরের হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রসঙ্গত, অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম বলতে আকাশপথে আক্রমণ রুখতে সক্ষম এক ধরনের প্রতিরক্ষারক্ষা ব্যবস্থাকে বোঝায়। অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট সিস্টেম আকাশপথে ধেয়ে আসা হুমকিকে শনাক্ত, অনুসরণ এবং নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করতে পারে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় স্বতন্ত্রভাবে স্থল, নৌ বা আকাশ-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার হতে পারে আবার এগুলোর সমন্বিত সংমিশ্রণও ব্যবহার করা যেতে পারে। দেশটিতে পারমাণবিক হামলা হলে কিভাবে আত্মরক্ষা করা যায়, এবং তাৎক্ষনিক কি করতে সরকারী ভাবে জারিকরা নির্দেশনাতে এসব বিষয় রয়েছে। ইরান সরকার পারমানবিক হামলার একটি একটি প্রতিকী ছবিও নির্দেশনার সাথে প্রকাশ করেছে।