সব
লন্ডন প্রতিনিধি,
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা।
“প্রবাসী ভোটাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ”-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে দিন/তারিখ বসানো যাবে) পূর্ব লন্ডনের মাঈদা গ্রিল অ্যান্ড ব্যাংকুইটিং হলে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক, বিশিষ্ট আইনজ্ঞ জজ বেলায়েত হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব ব্যারিস্টার বদরে আলম দিদার। সভায় প্রবাসীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের আইনগত দিক, সরকারের নীতিগত অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার জাজ নজরুল খসরু। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার নাজির আহমদ। পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কে এম আবু তাহের চৌধুরী, ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, ব্যারিস্টার সাইফুদ্দিন খালেদ এবং সিরাজুল ইসলাম শাহীন পরিষদের কার্যক্রম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরেন।
সভায় লন্ডনের বিভিন্ন সামাজিক, মানবাধিকার ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনমত সম্পাদক নবাব উদ্দিন, ব্রিটিশ বাংলাদেশি চেম্বার অব কমার্সের ডিজি দেওয়ান মেহেদী চৌধুরী, সোসাইটি অব বাংলাদেশি সলিসিটর্স-এর সভাপতি ব্যারিস্টার নুরুল গাফ্ফার, ইস্ট লন্ডন মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব খান, দারুল উম্মাহ মসজিদের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আহমেদ এ মালিক, সাবেক কাউন্সিলর ব্যারিস্টার খালেদ নূর, প্রেসক্লাব সেক্রেটারি ও ‘দেশ’ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, লেখক শাহ আলম, সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমান, ইমাম আবুল হাসনাত চৌধুরী, গোলাম মর্তুজা, হাদিসুর রহমান, ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া, ব্যারিস্টার সাজিদ উদ্দিন তালুকদার, জয়নাল আবেদীনসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠালেও তাদের রাজনৈতিক অধিকার এখনও সীমিত। তারা ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক ও ধারাবাহিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে জজ বেলায়েত হোসেন উপস্থিত সুধীবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “ভোটাধিকার আন্দোলনে অতীতের অবদানকে আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। এখন সময় এসেছে সকলে যার যার অবস্থান থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার।”
সভায় প্রবাসীদের ভোটাধিকার আদায়ে একটি খসড়া কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রাণবন্ত আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক মতামতের ভিত্তিতে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ প্রবাসী সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।