অতি ভারি বর্ষণে আমানতে নামতে পারেনি ৩ ফ্লাইট

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৭ জুলাই ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ


‘অতি ভারি বর্ষণের’ কারণে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারেনি দেশ-বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহীম খলিল জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে দুইটি আন্তর্জাতিক ও একটি অভ্যন্তরীণ বিমান অবতরণ করতে পারেনি।

তিনটির মধ্যে আবুধাবি থেকে চট্টগ্রাম আসা ‘ইউএস বাংলার বিএস ৩৫০’ ও শারজাহ থেকে চট্টগ্রাম আসা ‘এয়ার এরাবিয়ার জি ৯- ৫২৬ ফ্লাইট’ দুইটি চট্টগ্রাম নামতে না পেরে ঢাকায় অবতরণ করে।

এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী অভ্যন্তরীষ রুটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি ১২১ ফ্লাইটটি পুনরায় ঢাকায় ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন ইব্রাহীম খলিল।

এদিকে বিমান অবতরণ করতে না পারলেও চট্টগ্রাম থেকে সবগুলো বিমানের যাত্রা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার অতি ভারি বর্ষণে রূপ নেয়। সোমবার দিনভর বৃষ্টির পর রাতে থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত হচ্ছে মুষলধারে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস বলছে, মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এতে নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, কাতালগঞ্জ, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, হালিশহর কে ও এল ব্লক, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোডসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। সড়কে রিকশা ছাড়া অন্য যানবাহনের সংখ্যা দেখা গেছে খুবই কম। নগরীর কয়েকটি স্কুলের ক্লাস ও পরীক্ষা ‘বৈরী আবহাওয়ার’ কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে হালকা বৃষ্টিপাত বলা হয়। ১১ থেকে ২২ মিলিমিটারের মধ্যে থাকলে ধরা হয় মাঝারি বৃষ্টিপাত। মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি ধরা হয় ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটারের মধ্যে থাকলে।

২৪ ঘণ্টায় যদি ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরে, তখন সেটাকে বলা হয় ভারি বৃষ্টিপাত। আর ৮৮ মিলিমিটার ছাড়িয়ে গেলে সেটা হয়ে যায় অতি ভারি বৃষ্টিপাত। সে হিসাবে, চট্টগ্রামে গেল ৩৪ ঘণ্টায় অতি ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh