বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে এ চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আগামী বাজেটে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরির জন্য প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে না পারলে অনেক সময় সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।

দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়।

বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব—এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন সাখাওয়াত হোসেন। পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরো জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারী ও তাদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদেরও প্রশংসা করেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh