নবাবগঞ্জে ব্যবসায়ী পিংকু হত্যা মামলার রায় আবারও পেছাল

স্বদেশ বিদেশ ডট কম

  • প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ

নয় বছর আগে ঢাকার নবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে পাঁচ টুকরো করে হত্যা মামলায় ২২ আসামির রায় আবারও পিছিয়ে গেছে।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে মঙ্গলবার মামলাটি রায়ের জন্য ছিল। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আগামী ১৩ মে নতুন তারিখ রেখেছেন বিচারক।

মামলার আসামিরা হলেন-অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, তার স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাষ্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু।

আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক রয়েছে।

এর আগে গত ৪ মার্চ মামলাটি রায়ের জন্য ছিল। ওইদিন বিচারক আদালতে বলেন, আসামিপক্ষ থেকে ‘তদবির করা হচ্ছে’। পরে রায় পিছিয়ে ৩১ মার্চ নতুন তারিখ দিয়েছিলেন বিচারক। কিন্তু সেদিনও রায় হল না।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ঢাকার নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী পিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের সাথে একাধিক মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ‘শত্রুতা’ ছিল। মতিউর রহমান ও মরিয়মের ‘পরিকল্পনায় ও নির্দেশনায়’ ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পিংকু মালিকান্দার চকে যাওয়ার পথে আসামিরা এলাকার ধনিয়া ক্ষেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করে।

পরদিন পিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন নবাবগঞ্জ থানার এসআই মো. আরাফাত হোসেন।

২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন সাক্ষ্য দেন।

আসামিদের পক্ষে দুই জন সাফাই সাক্ষ্য দেন। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

এই সম্পর্কিত আরও খবর...

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh