সব
স্বদেশ বিদেশ ডট কম
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল, বাংলা টাউন বিজনেস এসোসিয়েশন এবং ব্রিক লেন কমিউনিটি ফোরামের যৌথ উদ্যোগে ২০ সেপ্টেম্বর, রোববার অনুষ্ঠিত হবে ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল। নয় বছর বিরতির পর গত বছর ২০২৫ সালে সফল প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে এবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উৎসব। পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির সমৃদ্ধ খাদ্য-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে উদযাপন করবে এ আয়োজন। ব্রিক লেনে দিনব্যাপী এই উৎসবে থাকবে সুস্বাদু খাবার বিপুল সমাহার, সংগীত, শিল্পকলা ও নানা ধরনের পারিবারিক বিনোদন।
টাওয়ার হ্যামলেটসের সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারের অন্যতম প্রধান আয়োজন হিসেবে পরিচিত এই উৎসব স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার পাশাপাশি ভিজিটর বা দর্শনার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি জোরদার করবে। বিশ্বজুড়ে পরিচিত ব্রিক লেনের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা দিক জানার সুযোগ পাবেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।
১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাটাউন বিজনেস এসোসিয়েশন এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কারী উৎসবের প্রেস লঞ্চ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় কারী উৎসবের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বাংলাটাউন বিজনেস এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ এবং টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের কেবিনেট মেম্বারগণ।
ব্রিক লেন কারী উৎসব সম্পর্কে নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “ব্রিক লেন কারী ফেস্টিভ্যাল শুধু খাবারের উৎসব নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং কমিউনিটির এক অনন্য উদযাপন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বিভিন্ন কমিউনিটি, বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটি, ব্রিক লেনকে আজকের বিশ্বখ্যাত গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই উৎসব সেই মানুষদের সম্মান জানায়, যারা তাদের পরিশ্রম, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা মনোভাব দিয়ে এলাকার পরিচয় গড়ে তুলেছেন।”
তিনি বলেন, “গত বছর ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যালের সফল প্রত্যাবর্তন হাজারো মানুষকে একত্র করেছিল। এ বছর আমরা আরও বড়, আরও উন্নত এবং আরও মশলাদার আয়োজন নিয়ে ফিরছি।”
সবাইকে ২০ সেপ্টেম্বর ব্রিক লেনের অসাধারণ খাবার, সংস্কৃতি এবং কমিউনিটি স্পিরিট উপভোগ করার আমন্ত্রণ জানান মেয়র। এটিকে সত্যিকার অর্থেই ‘লাভ টাওয়ার হ্যামলেটস’— এর চেতনার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
২০ সেপ্টেম্বর, রোববার দুপুর ১২টা থেকে ব্রিক লেন পরিণত হবে এক বিশাল উন্মুক্ত উৎসব প্রাঙ্গণে। অংশগ্রহণকারী রেস্টরেন্টগুলো রাস্তার পাশে বিশেষ স্টলে সাশ্রয়ী মূল্যে খাবার পরিবেশন করবে। পাশাপাশি থাকবে খ্যাতিমান শেফদের রান্না প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং উৎসবভিত্তিক স্ট্রিট আর্ট। ব্রিক লেন আবারও “ব্রিটেনের কারী ক্যাপিটেল” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দিনের শুরু হবে বাক্সটন স্ট্রিট থেকে ব্রিক লেন আর্চ পর্যন্ত এক বর্ণিল শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এতে থাকবে সুসজ্জিত ফ্লোট, নৃত্যশিল্পী এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের অংশগ্রহণ। দিনভর উৎসব এলাকায় ঘুরে বেড়াবে বিভিন্ন পারফরম্যান্স দল এবং বিনোদন শিল্পীরা, যারা দর্শকদের জন্য এক প্রাণবন্ত উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করবেন। ইভেন্টব্রাইট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগে থেকে নিবন্ধন করলে দর্শনার্থীরা উৎসব—সংশ্লিষ্ট সকল রেস্টরেন্টে পুরো সপ্তাহান্তজুড়ে ২০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।
ক্যাবিনেট মেম্বার কাউন্সিলর ফায়সাল আহমেদ “ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল স্থানীয় ব্যবসা, রেস্তোরাঁ এবং উদ্যোক্তাদের জন্য তাদের সেরা আয়োজন তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ” হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এই উৎসব হাজারো মানুষকে ব্রিক লেনে নিয়ে আসে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে এবং নতুন গ্রাহকদের আমাদের স্বাধীন ব্যবসাগুলোর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ দেয়। ব্রিক লেনের সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিবারভিত্তিক ব্যবসা, কঠোর পরিশ্রম এবং কমিউনিটির শক্তি। আমরা চাই এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও সমৃদ্ধ হোক এবং ব্রিক লেন লন্ডনের অন্যতম প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ও খাদ্য গন্তব্য হিসেবে আরও বিকশিত হোক।”
প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলা টাউন বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিবিএ) চেয়ারম্যান গুলজার খান বলেন, “গত বছরের উৎসব ছিল অসাধারণ সফল। এটি সারা বিশ্বকে আবারও দেখিয়ে দিয়েছে বাংলা টাউনের প্রাণশক্তি, আতিথেয়তা ও স্বাদ। হাজারো মানুষের উপস্থিতি আমাদের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য গর্বের বিষয় ছিল। এ বছর আমরা টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সঙ্গে অংশীদারিত্বে আরও বড় ও আকর্ষণীয় উৎসব আয়োজন করতে যাচ্ছি। ব্রিক লেনের কারি হাউস ও স্বাধীন ব্যবসাগুলো পূর্ব লন্ডনের প্রাণ। এই উৎসব শুধু খাবারের আয়োজন নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও একটি বড় সহায়তা।”
কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলর আবু তালহা চৌধুরী বলেন, “ব্রিক লেনের গল্প শুধু একটি এলাকার গল্প নয়, এটি অভিবাসন, সংগ্রাম, সাফল্য এবং কমিউনিটির গল্প। কারী ফেস্টিভ্যাল আমাদের সেই সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং সমসাময়িক সৃজনশীলতাকে একসঙ্গে উদযাপনের সুযোগ করে দেয়। সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা, পারিবারিক কার্যক্রম এবং বিশ্বখ্যাত খাবারের মাধ্যমে এই উৎসব দেখিয়ে দেয় যে ব্রিক লেন কতটা প্রাণবন্ত, বৈচিত্র্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক। আমরা গর্বিত যে এই উৎসব নতুন প্রজন্মকে তাদের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করছে এবং একই সঙ্গে সবার জন্য উন্মুক্ত একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা তৈরি করছে।”
ক্যাবিনেট মেম্বার ফর লেজার, কালচার অ্যান্ড ট্যুরিজম, কাউন্সিলর মিনারা খাতুন বলেছেন, “ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল আমাদের সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও বৈচিত্রের এক অসাধারণ উদযাপন। খাবার, সংগীত, ঐতিহ্য ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে নিয়ে এই উৎসব ব্রিক লেনের সেরা দিকগুলোকে তুলে ধরে এবং বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা তৈরি করে।”
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আরও বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট আয়োজক ও অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাটাউন বিজনেসেস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিবিএ)—এর চেয়ারম্যান গুলজার খান, ডেপুটি ময়র মাইয়ুম মিয়া,
ব্রিক লেন কমিউনিটি ফোরাম—এর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, বিটিবিএ—এর ট্রেজারার, সেলেব্রেটি শেফ আতিকুর রহমধ, এবং ব্রিক লেনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শামস উদ্দিন শাম, মতব মিয়া, জামাল খালিক, শানুর আলী, বদরুল ইসলাম, সাজু মিয়া ও সুলুক মিয়া সহ আরও অনেকে।
নয় বছর পর বন্ধ থাকার পর গতবছর পুণরায় ব্রিক লেন কারী উৎসব অনুষ্ঠিত হলে বিপুল সাড়া পড়ে। ৩০ হাজারের মত মানুষ ব্রিক লেন কারী উৎসবে অংশগ্রহণকারী রেস্টুরেন্টগুলোর ২০% ছাড় অফার নিতে ইভেন্টব্রাইট ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। এবারও এই অফার দেয়া হয়েছে এবং সবাইকে তা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ইভেন্টব্রাইট এর ওয়েবসাইটে গিয়ে (https://www.eventbrite.co.uk/e/brick-lane-curry-festival-2026-tickets-1993902630442) এখনই আপনার নাম রেজিষ্ট্রি করুন।
কারি ফেস্টিভ্যালের কর্মসূচির মধ্যে যা যা থাকছে
বর্ণাঢ্য র্যালিঃ অ্যালেন গার্ডেনস থেকে ব্রিক লেনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়া এই শোভাযাত্রা হবে রঙ, সুর ও নৃত্যের এক অনন্য মিলনমেলা। অংশ নেবে চাইনিজ লায়ন ড্যান্স পারফরমারস, তাল তরঙ্গ, শৌমি দাস ড্যান্স কোম্পানি, আইএমডি লিজিয়ন এবং বলি ফ্লেক্স। এছাড়া উৎসবের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত তিনটি বিশালাকৃতির পাপেট প্রদর্শন করবে খ্যাতনামা শিল্পসংগঠন ইমার্জেন্সি এক্সিট আর্টস।
উৎসব মঞ্চঃ দিনব্যাপী প্রধান মঞ্চে সংগীত, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন থাকবে। উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন, নিশ, মামজি, খিয়ো, আইএমডি লিজিয়ন, বলি ফ্লেক্স, তাল তরঙ্গ, শৌমি দাস ড্যান্স কোম্পানি এবং বলিউড ব্রাস ব্যান্ড। এছাড়াও থাকছে ডিজে পরিবেশনা, কমিউনিটি পারফরম্যান্স এবং বিশেষ অতিথিদের উপস্থিতি।
শিল্পী এবং কমিউনিটি পার্টনারস :
খিয়োঃ উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চে উঠবে জনপ্রিয় ব্যান্ড খিয়ো। ব্রিটিশ ও বাঙালি সংগীতধারার মিশেলে গড়ে উঠেছে তাদের স্বতন্ত্র সংগীতশৈলী।
নিশঃ ব্রিটিশ-বাংলাদেশি গায়ক ও র্যাপার নিশ তার আরঅ্যান্ডবি, হিপ—হপ ও দক্ষিণ এশীয় প্রভাবসমৃদ্ধ সংগীত পরিবেশন করবেন।
মামজিঃ ব্রিটেনের অন্যতম পরিচিত দক্ষিণ এশীয় সংগীতশিল্পী, যিনি পপ, আরঅ্যান্ডবি ও আন্তর্জাতিক সংগীতধারার মিশ্রণে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
আইএমডি লিজিয়নঃ পূর্ব লন্ডনের খ্যাতিমান স্ট্রিট ড্যান্স দল, যাদের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
বলি ফ্লেক্সঃ ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্য ও আধুনিক পারফরম্যান্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি জনপ্রিয় বলিউড নৃত্যদল।
তাল তরঙ্গঃ ব্রিটেনের প্রথম বাংলাদেশি নৃত্যদল, যারা নৃত্যের মাধ্যমে বাংলাদেশি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে।
শৌমি দাস ড্যান্স কোম্পানিঃ কথক, দক্ষিণ এশীয় ধ্রুপদি ও লোকনৃত্যে বিশেষ পারদর্শী এই দল দর্শকদের জন্য উপস্থাপন করবে নান্দনিক পরিবেশনা।
চায়নিজ অ্যাসোসিয়েশন অব টাওয়ার হ্যামলেটসঃ ঐতিহ্যবাহী সিংহ ও ড্রাগন নৃত্যের মাধ্যমে বহুসাংস্কৃতিক সমাজের সৌন্দর্য তুলে ধরবে সংগঠনটি।
বলিউড ব্রাস ব্যান্ডঃ ব্রিটেনের বিখ্যাত ভারতীয় ধাঁচের ব্রাস ব্যান্ড, যারা বলিউড সংগীতকে ব্রাস ব্যান্ডের পরিবেশনায় নতুন মাত্রা দেয়।
ওসমানি সাউন্ডজঃ ব্রিটেনের এশিয়ান আন্ডারগ্রাউন্ড সংগীত আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, যার প্রভাব একটি পুরো প্রজন্মের দক্ষিণ এশীয় ব্রিটিশ সংগীতকে প্রভাবিত করেছে।
স্ট্রিট এন্টারটেইনমেন্টঃ দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পুরো ব্রিক লেনজুড়ে চলবে রাস্তার পারফরম্যান্স। থাকবে বলিউড ব্রাস ব্যান্ড, ঢোলবাদক দল, অ্যাকসেস ক্রিয়েটিভ কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনাসহ বিভিন্ন পপ—আপ পারফরম্যান্স। এসব আয়োজন সারাদিন উৎসবকে প্রাণবন্ত রাখবে।
ফ্যামিলি জোন ‘দ্যা ঘাট’: উৎসবের কেন্দ্রস্থলে থাকা ‘দ্য ঘাট’ এলাকায় থাকবে পরিবার ও শিশুদের জন্য বিনামূল্যে নানা আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে শাড়ি পরিধান কর্মশালা, লুঙ্গি পরার প্রশিক্ষণ, আইএমডি লিজিয়ন ও বলি ফ্লেক্সের নৃত্য কর্মশালা, খেলাধুলা ও ক্রীড়া কার্যক্রম, শিশুদের জন্য বাউন্সি ক্যাসল এবং সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণমূলক কর্মসূচি। এটি হবে পরিবারগুলোর জন্য বিশ্রাম, আনন্দ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্র।
ব্রিক লেন কমিউনিটি ফোরামের সেক্রেটারি ইয়াসমিন হক বলেন, “বাংলা টাউনের এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের অন্যতম আয়োজক হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করি ব্রিক লেন কারি ফেস্টিভ্যাল আবারও লন্ডনের অন্যতম আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”
উল্লেখ্য টাওয়ার হ্যামলেটস ব্রিটেনের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ লোকাল অথরিটিগুলোর একটি। জাতীয় অর্থনীতিতে এই বারা তৃতীয় সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক অবদান রাখে। এটি ব্রিটেনের অন্যতম বৈচিত্রময় এলাকা এবং লন্ডনের সবচেয়ে তরুণ জনসংখ্যার আবাসস্থল, যেখানে বাসিন্দাদের গড় বয়স মাত্র ৩০ বছর। টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রাণবন্ত কমিউনিটি, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য সুপরিচিত। এর অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যানারি ওয়ার্ফ, টাওয়ার অব লন্ডন, ভিক্টোরিয়া পার্ক এবং ব্রিক লেন।